২০ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আর্সেনাল

দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্সেনাল। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছে গানাররা। এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন বুকায়ো সাকা। প্রথম লেগ ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় লেগে জয়ের মাধ্যমে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মিকেল আরতেতার দল। ম্যাচের শুরু থেকেই রক্ষণভাগ শক্ত করে খেলতে থাকে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, যাদের ডিফেন্সিভ কৌশল সুপরিচিত। তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে সেই রক্ষণ ভাঙতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা। ৪৪ মিনিটে লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড-এর শট দারুণভাবে ঠেকান গোলরক্ষক ইয়ান ও’ব্লাক, কিন্তু বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে না পারায় রিবাউন্ডে সহজেই জালে জড়িয়ে দেন সাকা। পুরো মৌসুমজুড়েই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও ইউরোপ, দুই মঞ্চেই আলোচনায় ছিল আর্সেনাল। ঘরোয়া লিগে শিরোপার লড়াইয়ের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্নও ছিল তাদের সামনে। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণের পথে আর এক ধাপ এগিয়ে গেল তারা। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ১৭ মে বার্সেলোনার কাছে ২-১ গোলে হেরে শেষ

২০ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে আর্সেনাল
দীর্ঘ দুই দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্সেনাল। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছে গানাররা। এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন বুকায়ো সাকা। প্রথম লেগ ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় লেগে জয়ের মাধ্যমে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মিকেল আরতেতার দল। ম্যাচের শুরু থেকেই রক্ষণভাগ শক্ত করে খেলতে থাকে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, যাদের ডিফেন্সিভ কৌশল সুপরিচিত। তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে সেই রক্ষণ ভাঙতে সক্ষম হয় স্বাগতিকরা। ৪৪ মিনিটে লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড-এর শট দারুণভাবে ঠেকান গোলরক্ষক ইয়ান ও’ব্লাক, কিন্তু বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে না পারায় রিবাউন্ডে সহজেই জালে জড়িয়ে দেন সাকা। পুরো মৌসুমজুড়েই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও ইউরোপ, দুই মঞ্চেই আলোচনায় ছিল আর্সেনাল। ঘরোয়া লিগে শিরোপার লড়াইয়ের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্নও ছিল তাদের সামনে। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণের পথে আর এক ধাপ এগিয়ে গেল তারা। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ১৭ মে বার্সেলোনার কাছে ২-১ গোলে হেরে শেষবারের মতো ফাইনাল খেলেছিল আর্সেনাল। দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও ফাইনালে উঠেছে তারা। আগামী ৩০ মে বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ অথবা পিএসজির মুখোমুখি হবে গানাররা। এখন দেখার বিষয়— দুই দশকের অপেক্ষার পর শিরোপা জিততে পারে কি না উত্তর লন্ডনের এই ক্লাব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow