২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা

আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার ‘নদী-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। যেখানে এরই মধ্যে ছয় হাজার ৫৯৮ কিলোমিটার খাল খননের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থমন্ত্রী বলেন, সমন্বিত ও সার্বিক পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেচ, বন্যা ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন রোধ, ভূমি পুনরুদ্ধার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও লবণাক্ততা প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। সরকার দেশজুড়ে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে ব্যাপক খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩০৯ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ ও মেরামত এবং ফ্লাড ওয়াল নির্মাণ করা হবে। ৪৮৪ কিলোমিটার নদ-নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি ও ডুবোচর অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নদী পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি নদী বা জলাশয় দখলমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার পরিক

২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা

আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার ‘নদী-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। যেখানে এরই মধ্যে ছয় হাজার ৫৯৮ কিলোমিটার খাল খননের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সমন্বিত ও সার্বিক পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেচ, বন্যা ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন রোধ, ভূমি পুনরুদ্ধার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও লবণাক্ততা প্রতিরোধ ইত্যাদি বিষয়ে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। সরকার দেশজুড়ে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে ব্যাপক খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩০৯ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ ও মেরামত এবং ফ্লাড ওয়াল নির্মাণ করা হবে। ৪৮৪ কিলোমিটার নদ-নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি ও ডুবোচর অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নদী পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি নদী বা জলাশয় দখলমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ধলেশ্বরী, লৌহজং, আলাইকুড়ি, মগড়া, সালতা, সুতাং, বাঁকখালী ও বারনই নদী পুনরুদ্ধার এবং পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। হাওড়-বাওর অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন এবং উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ততা নিরসন করার কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’ একনেকে (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) অনুমোদিত হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে আগামী সাত বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রকল্পে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। চারটি বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলা সুবিধা ভোগ করবে। এছাড়া আমাদের সরকার দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যবদল ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।’

এমওএস/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow