২১ আসন ফাঁকা রেখেই রাবিতে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হয়েছে। রোববার (১০ মে) সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন বিভাগে নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। তবে দীর্ঘ ভর্তি প্রক্রিয়া শেষেও বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো ২১টি আসন ফাঁকা রয়েছে। জানা গেছে, নবীনদের বরণ করতে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের পাশাপাশি ফুল ও শুভেচ্ছা উপহার দিয়ে উৎসবমুখর আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহীদ মিনার, প্যারিস রোড ও টুকিটাকি চত্বরসহ পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে নবীনদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিনের অনুভূতি প্রকাশ করে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের শিক্ষার্থী রাফি হাওলাদার বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও পরিশ্রমের এক স্বপ্নময় অধ্যায়ের সূচনা হলো। অসংখ্য প্রতিযোগিতা ও অনিশ্চয়তা পেরিয়ে অবশেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, নবীনদের উপস্থিতিতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। আশা কর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হয়েছে। রোববার (১০ মে) সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন বিভাগে নবীন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস। তবে দীর্ঘ ভর্তি প্রক্রিয়া শেষেও বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো ২১টি আসন ফাঁকা রয়েছে।
জানা গেছে, নবীনদের বরণ করতে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের পাশাপাশি ফুল ও শুভেচ্ছা উপহার দিয়ে উৎসবমুখর আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহীদ মিনার, প্যারিস রোড ও টুকিটাকি চত্বরসহ পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে নবীনদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম দিনের অনুভূতি প্রকাশ করে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের শিক্ষার্থী রাফি হাওলাদার বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও পরিশ্রমের এক স্বপ্নময় অধ্যায়ের সূচনা হলো। অসংখ্য প্রতিযোগিতা ও অনিশ্চয়তা পেরিয়ে অবশেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, নবীনদের উপস্থিতিতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। আশা করি, শিক্ষার্থীরা সুস্থ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে নিজেদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে দেশ ও সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফাঁকা সিট সম্পর্কে আইসিটি সেন্টারের পরিচালক ড. সাইফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে এ ইউনিটে ১৩টি ফাঁকা রয়েছে, যা পূরণযোগ্য, তবে সি ইউনিটে ৮টি আসন ফাঁকা রয়েছে যা পূরণ যোগ্য নয়। তবে আগামীতে গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ভালো বিষয় পেলে অনেক শিক্ষার্থী অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যেতে পারে, ফলে ভবিষ্যতে আরও কিছু আসন ফাঁকা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মনির হোসেন মাহিন/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?