২১ শতাংশ আসনে কোথাও কোথাও জালভোট দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২১ শতাংশ আসনে কোথাও কোথাও জাল ভোট দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। বিষয়টিকে উল্লেখযোগ্য জানিয়ে তিনি বলেন, তবে কতটা ঘটনা ঘটেছে সেটি আমরা প্রতিবেদনে বলছি না। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সংস্থাটির কার্যালয়ে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে টিআইবির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মো. মাহফুজুল হক বলেন, গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত আসনে একটা ঘটনা হলে আমরা সেটা রেকর্ড করেছি। এটা আসনের পার্সেন্টেজ, ভোটের পার্সেন্টেজ না। টিআইবি জানায়, ত্রয়োদশ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ট্র্যাকিংবের উদ্দেশ্যে মোট ৩০০টি সংসদীয় আসন থেকে প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে দৈবচয়নের ভিত্তিতে ৭০টি আস্ন নমুনা হিসেবে নেওয়া হয়েছে গবেষণায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪০ শতাংশ আসনে একাধিক অনিয়মের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ২৮.৬ আসনে অনিয়মের ঘটনায় প্রার্থীর পক্ষে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, ৭৫ শতাংশ আসনে সংশ্লিষ্ট কর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২১ শতাংশ আসনে কোথাও কোথাও জাল ভোট দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। বিষয়টিকে উল্লেখযোগ্য জানিয়ে তিনি বলেন, তবে কতটা ঘটনা ঘটেছে সেটি আমরা প্রতিবেদনে বলছি না।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সংস্থাটির কার্যালয়ে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে টিআইবির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মো. মাহফুজুল হক বলেন, গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত আসনে একটা ঘটনা হলে আমরা সেটা রেকর্ড করেছি। এটা আসনের পার্সেন্টেজ, ভোটের পার্সেন্টেজ না।
টিআইবি জানায়, ত্রয়োদশ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ট্র্যাকিংবের উদ্দেশ্যে মোট ৩০০টি সংসদীয় আসন থেকে প্রতিনিধিত্বশীল নমুনায়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে দৈবচয়নের ভিত্তিতে ৭০টি আস্ন নমুনা হিসেবে নেওয়া হয়েছে গবেষণায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪০ শতাংশ আসনে একাধিক অনিয়মের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ২৮.৬ আসনে অনিয়মের ঘটনায় প্রার্থীর পক্ষে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, ৭৫ শতাংশ আসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নির্বাচনের দিন অনিয়মের মধ্যে ভোটারদের হুমকি দিয়ে তাড়ানো ৪৬.৪ শতাংশ, জোর করে নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দেওয়া ৩৫.৭ শতাংশ, বুথ দখল ১৪.৩ শতাংশ, ভোট গ্রহণের আগেই ব্যালটে সিল ১৪.৩ শতাংশ ইত্যাদি।
এসএম/এমআরএম
What's Your Reaction?