২৪ মামলার আসামি মুসা গ্রেপ্তার
দিনাজপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে মুসা ইব্রাহিম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ ২৪টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল হালিম এ তথ্য জানান। এ সময় কোতোয়ালি থানার ওসি নুর নবী উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ জানায়, সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে শহরের কালিতলা সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মুসা ইব্রাহিম ও আয়শা সিদ্দিকাকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল হালিম বলেন, চক্রটি নারী সদস্যকে ব্যবহার করে প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে শহরে ডেকে আনত। পরে তাদের জিম্মি করে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হতো। গত ২৩ এপ্রিল ফুলবাড়ী উপজেলার রাজারামপুর গ্রামের এক যুবককে অপহরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি রামদা, একটি হাসুয়া, একটি ছো
দিনাজপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে মুসা ইব্রাহিম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ ২৪টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল হালিম এ তথ্য জানান। এ সময় কোতোয়ালি থানার ওসি নুর নবী উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে শহরের কালিতলা সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মুসা ইব্রাহিম ও আয়শা সিদ্দিকাকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল হালিম বলেন, চক্রটি নারী সদস্যকে ব্যবহার করে প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে শহরে ডেকে আনত। পরে তাদের জিম্মি করে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হতো। গত ২৩ এপ্রিল ফুলবাড়ী উপজেলার রাজারামপুর গ্রামের এক যুবককে অপহরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি রামদা, একটি হাসুয়া, একটি ছোরা, তিনটি মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন থেকে চক্রটির নানা অপকর্মের তথ্য মিলেছে।
আবদুল হালিম বলেন, দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?