২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হার, লজ্জার রেকর্ডে বাংলাদেশ

হারারের টেস্টে শেষ দিনের লড়াইটাও দীর্ঘস্থায়ী হলো না বাংলাদেশের। ব্যাটিং ধসের ধারাবাহিকতা থামাতে না পেরে এক ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে সফরকারীরা। এর মধ্য দিয়ে ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে আবারও ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ। টস হেরে প্রথম ইনিংস ব্যাট করতে নেমে ১৪০ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। জবাব দিতে নেমে ইনোসেন্ট কাইয়ার ১৪০ রানের ওপর ভর করে ৪১০ রানে অলআউট হয় স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। এছাড়া ওয়েসলি মাধভিরে ৭৭, ক্রেইগ আরভিন ৬০ এবং ব্রায়ান বেনেত করেন ৫৯ রান। ২৭০ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয় ১৮৫ রানে। ২৭০ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ তৃতীয় দিনের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়। ব্লেসিং মুজারাবানির গতির সামনে টিকতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হক। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম ৬১ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধের আভাস দিলেও সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। নিউম্যান নিয়ামুরির নিচু ফুলটসে বোল্ড হয়ে ৩০ রানে ফেরেন শান্ত। এরপর ৩৪ রান করে মুজারাবানির বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন মুশফিক। তাদের বিদায়ের পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদ

২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হার, লজ্জার রেকর্ডে বাংলাদেশ

হারারের টেস্টে শেষ দিনের লড়াইটাও দীর্ঘস্থায়ী হলো না বাংলাদেশের। ব্যাটিং ধসের ধারাবাহিকতা থামাতে না পেরে এক ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে সফরকারীরা। এর মধ্য দিয়ে ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে আবারও ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ।

টস হেরে প্রথম ইনিংস ব্যাট করতে নেমে ১৪০ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। জবাব দিতে নেমে ইনোসেন্ট কাইয়ার ১৪০ রানের ওপর ভর করে ৪১০ রানে অলআউট হয় স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। এছাড়া ওয়েসলি মাধভিরে ৭৭, ক্রেইগ আরভিন ৬০ এবং ব্রায়ান বেনেত করেন ৫৯ রান। ২৭০ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয় ১৮৫ রানে।

২৭০ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ তৃতীয় দিনের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায়। ব্লেসিং মুজারাবানির গতির সামনে টিকতে পারেননি মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হক। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম ৬১ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধের আভাস দিলেও সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

নিউম্যান নিয়ামুরির নিচু ফুলটসে বোল্ড হয়ে ৩০ রানে ফেরেন শান্ত। এরপর ৩৪ রান করে মুজারাবানির বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন মুশফিক। তাদের বিদায়ের পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ।

অভিষিক্ত তাওহিদ হৃদয়ও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ৯ রানে ফিরে যান তিনি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত হাসান মাহমুদ ক্যাচ দিলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসও গুটিয়ে যায়, নিশ্চিত হয় ইনিংস ও ৮৫ রানের পরাজয়।

এর আগে প্রথম ইনিঙ্গে ২৮ রানে শেষ ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১০ রান তুলে ২৭০ রানের বিশাল লিড নেয়। ইনোসেন্ট কাইয়া করেন ১৪০ রান, ওয়েসলি মাধেভেরে অপরাজিত থাকেন ৭৭ রানে।

বাংলাদেশের হয়ে লড়াই করেছেন একমাত্র তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার ৭ উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে আরও বড় সংগ্রহ গড়তে দেননি। তবে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় সেই বোলিং নৈপুণ্যও শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে আসেনি।

এসকেডি/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow