২ টাকায় মিলছে আলুসহ নিত্যপণ্য
পবিত্র মাহে রমজান এলেই যখন বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার অভিযোগ ওঠে, ঠিক তখন ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়ে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কিশামত দশলিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম সরকার। নিম্নআয়ের মানুষ যেন স্বস্তিতে রোজা পালন করতে পারেন- এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি চালু করেছেন ‘মানবতার সদাই ঘর’ নামে বিশেষ একটি দোকান। সরেজমিনে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের কান্তনগর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, দোকানটিতে উপচে পড়া ভিড়। ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের পরিবারের মানুষ স্বল্প দামে প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য কিনতে ভিড় জমিয়েছেন। সবার মুখেই স্বস্তির হাসি। দোকান সূত্রে জানা যায়, রমজানজুড়ে এখানে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২ টাকায়। এছাড়া পেঁয়াজ ৩০ টাকা, লবণ ১৫ টাকা, চাল ৩০ টাকা, মুড়ি ২০ টাকা, আটা ৩০ টাকা এবং ডিমের হালি ২৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারদরের তুলনায় প্রায় অর্ধেক বা তারও কম দামে এসব পণ্য কিনতে পারছেন রোজাদার পরিবারগুলো। পণ্য কিনতে আসা নজরুল ইসলাম ও মরিয়ম বেগমসহ একাধিক ক্রেতা জানান, ‘বর্তমান ঊর্ধ্বগতির বাজারে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। কম দামে নিত্যপণ্য কিনতে পেরে আমরা অনেকটাই
পবিত্র মাহে রমজান এলেই যখন বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার অভিযোগ ওঠে, ঠিক তখন ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়ে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কিশামত দশলিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম সরকার। নিম্নআয়ের মানুষ যেন স্বস্তিতে রোজা পালন করতে পারেন- এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি চালু করেছেন ‘মানবতার সদাই ঘর’ নামে বিশেষ একটি দোকান।
সরেজমিনে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের কান্তনগর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, দোকানটিতে উপচে পড়া ভিড়। ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের পরিবারের মানুষ স্বল্প দামে প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্য কিনতে ভিড় জমিয়েছেন। সবার মুখেই স্বস্তির হাসি।
দোকান সূত্রে জানা যায়, রমজানজুড়ে এখানে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২ টাকায়। এছাড়া পেঁয়াজ ৩০ টাকা, লবণ ১৫ টাকা, চাল ৩০ টাকা, মুড়ি ২০ টাকা, আটা ৩০ টাকা এবং ডিমের হালি ২৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারদরের তুলনায় প্রায় অর্ধেক বা তারও কম দামে এসব পণ্য কিনতে পারছেন রোজাদার পরিবারগুলো।
পণ্য কিনতে আসা নজরুল ইসলাম ও মরিয়ম বেগমসহ একাধিক ক্রেতা জানান, ‘বর্তমান ঊর্ধ্বগতির বাজারে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। কম দামে নিত্যপণ্য কিনতে পেরে আমরা অনেকটাই স্বস্তি পাচ্ছি।’
দোকানের দায়িত্বে থাকা কাওছার হাবিব আকাশ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটাই- অসহায় মানুষ যেন রমজানে কষ্ট না পায়। তাই নামমাত্র মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করছি।’
উদ্যোক্তা আব্দুর রহিম সরকার বলেন, ‘রমজান মানেই সহমর্মিতা ও সংযমের মাস। সমাজের সবাই যেন ভালোভাবে ইফতার ও সেহরি করতে পারেন, সে ভাবনা থেকেই এই উদ্যোগ। যতদিন সম্ভব, এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই।’
স্থানীয়দের মতে, আব্দুর রহিম সরকারের এই মানবিক উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই এটিকে সমাজের বিত্তবানদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
What's Your Reaction?