৪৭ আসনের সিদ্ধান্ত কবে, জানালেন এহসানুল মাহবুব
১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে ইসলামী আন্দোলন না আসায় ফাঁকা থাকা ৪৭টি আসনের বিষয়ে দ্রুতই সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
এহসানুল মাহবুব বলেন, ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় ফাঁকা থাকা ৪৭ আসনে আজ-কালকের মধ্যেই ১০ দলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়া ১০ দলের সমন্বিত নির্বাচনি ইশতেহারের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।
জোটে না আসায় তাদের জন্য রাখা ৪৭ আসন নিয়ে দু-একদিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেবে ১০ দল। এ ছাড়া ১০ দলের সমন্বিত নির্বাচনী ইশতেহারের কথাও ভাবা হচ্ছে। ব্রিফিংয়ে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বডি ক্যামেরা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।
এদিকে জোটে ইসলামী আন্দোলন ফেরার আর কোনো সম্ভাবনা না থাকায় শরিক দলগুলো নিজেদের আসন বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন জোটে না থাকা অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, দলটি জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা আসনগুলোত
১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে ইসলামী আন্দোলন না আসায় ফাঁকা থাকা ৪৭টি আসনের বিষয়ে দ্রুতই সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
এহসানুল মাহবুব বলেন, ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় ফাঁকা থাকা ৪৭ আসনে আজ-কালকের মধ্যেই ১০ দলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে। এছাড়া ১০ দলের সমন্বিত নির্বাচনি ইশতেহারের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।
জোটে না আসায় তাদের জন্য রাখা ৪৭ আসন নিয়ে দু-একদিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেবে ১০ দল। এ ছাড়া ১০ দলের সমন্বিত নির্বাচনী ইশতেহারের কথাও ভাবা হচ্ছে। ব্রিফিংয়ে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বডি ক্যামেরা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।
এদিকে জোটে ইসলামী আন্দোলন ফেরার আর কোনো সম্ভাবনা না থাকায় শরিক দলগুলো নিজেদের আসন বাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন জোটে না থাকা অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, দলটি জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা আসনগুলোতে জোটের অন্য দলগুলো আসন বাড়িয়ে নেবে।