৪ মাস আগে মালদ্বীপে আসা তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মালদ্বীপে মাত্র চার মাস আগে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আসা বাংলাদেশি মেজবাহ উদ্দিনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত মেজবাহ উদ্দিনের বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার মাহাদিয়া গ্রামে। তিনি মোজিবুল হকের (সুরুজ মিয়া) ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানী মালের সিট্রন বাই লেমনগ্রাস কোম্পানির স্টাফ কোয়ার্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি কবির আহমেদ জানান, স্টাফ কোয়ার্টারের একটি কক্ষে চারজন একসঙ্গে বসবাস করতেন। ঘটনার সময় দুইজন কর্মস্থলে এবং দুইজন ছুটিতে ছিলেন। রাতের খাবার খেতে বের হওয়ার পর ফিরে এসে এক সহকর্মী মেজবাহ উদ্দিনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করা হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের মামা মো. জহিরুল ইসলাম (সুমন) জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জীবিকার সন্ধানে মেজবাহ উদ্দিন মালদ্বীপে আসেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি বিভ
মালদ্বীপে মাত্র চার মাস আগে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আসা বাংলাদেশি মেজবাহ উদ্দিনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত মেজবাহ উদ্দিনের বাড়ি ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার মাহাদিয়া গ্রামে। তিনি মোজিবুল হকের (সুরুজ মিয়া) ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানী মালের সিট্রন বাই লেমনগ্রাস কোম্পানির স্টাফ কোয়ার্টার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি কবির আহমেদ জানান, স্টাফ কোয়ার্টারের একটি কক্ষে চারজন একসঙ্গে বসবাস করতেন। ঘটনার সময় দুইজন কর্মস্থলে এবং দুইজন ছুটিতে ছিলেন।
রাতের খাবার খেতে বের হওয়ার পর ফিরে এসে এক সহকর্মী মেজবাহ উদ্দিনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশকে অবহিত করা হলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের মামা মো. জহিরুল ইসলাম (সুমন) জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জীবিকার সন্ধানে মেজবাহ উদ্দিন মালদ্বীপে আসেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মানসিক অস্থিরতার মধ্যে ছিলেন বলে পরিবারের ধারণা।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন এবং মালদ্বীপ পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।
বর্তমানে মরদেহ রাজধানী মালের একটি মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে। নিহতের পরিবার মালদ্বীপে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছে।
এ বিষয়ে মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, প্রবাসী বাংলাদেশির এই মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। বিষয়টি সম্পর্কে হাইকমিশন অবগত রয়েছে এবং ঘটনার তদন্তের অগ্রগতি জানতে মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে পাঠানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?