৫২ বছরে রানওয়েতে রাজকীয় গ্ল্যামার দেখালেন কারিশমা কাপুর

  নব্বইয়ের দশকের পর্দা কাঁপানো গ্ল্যামার কুইন কারিশমা কাপুর। সময় বদলেছে, ফ্যাশনের সংজ্ঞা বদলেছে,তবু তার স্টাইল সেন্স চিরসবুজ। ক্লাসিক শাড়ির আভিজাত্য হোক বা এলিগ্যান্ট কুর্তা সেটের সৌন্দর্য, প্রতিটি লুকে তিনি রয়ে যান মার্জিত ও আত্মবিশ্বাসী। ৫২-এ পা রেখেও ফ্যাশনের ক্ষেত্রে তার কোনও আপস নেই। বরং বয়স যেন তাকে দিয়েছে আরও পরিপক্কতা। তার উপস্থিতিতেই তিনি আলাদা করে নজর কাড়েন। দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছেন তার মোহময় ব্যক্তিত্ব,ভঙ্গি এবং অনবদ্য স্টাইল দিয়ে। সম্প্রতি দুবাইয়ের শো-স্টাপার হিসেবে হাজির হয়ে কারিশমা যেন অন্য যুগে নিয়ে গেলেন দর্শকদের। ঝলমলে নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত রাজকীয়তায় মোড়া একটি উপস্থিতি-যেখানে আভিজাত্যই ছিল মূল আকর্ষণ। রানওয়েতে পা রাখতেই মনে হলো যেন ব্রিজারটনের রাজপ্রাসাদ থেকে বেরিয়ে এসেছেন। পীচ রঙের ফিটেড, মেঝে ছোঁয়া গাউন হাঁটু পর্যন্ত শরীরকে জড়িয়ে ধরে। কাঠামোবদ্ধ অথচ কোমল কাপড়, ভারী পৃষ্ঠকাজ-সব মিলিয়ে গাউনে ছিল নিখুঁত ভারসাম্য। অফ-শোল্ডার বডিসটি সাজানো ছিল থ্রিডি ফুলের অ্যাপ্লিক দিয়ে। গলার রেখা থেকে হাতা পর্যন্ত স্তরভিত্তিক পাপড়ি, স্ফটিক এবং পুঁতির সূক্ষ্ম কাজ গাউনের সৌন্

৫২ বছরে রানওয়েতে রাজকীয় গ্ল্যামার দেখালেন কারিশমা কাপুর

 

নব্বইয়ের দশকের পর্দা কাঁপানো গ্ল্যামার কুইন কারিশমা কাপুর। সময় বদলেছে, ফ্যাশনের সংজ্ঞা বদলেছে,তবু তার স্টাইল সেন্স চিরসবুজ। ক্লাসিক শাড়ির আভিজাত্য হোক বা এলিগ্যান্ট কুর্তা সেটের সৌন্দর্য, প্রতিটি লুকে তিনি রয়ে যান মার্জিত ও আত্মবিশ্বাসী।

৫২-এ পা রেখেও ফ্যাশনের ক্ষেত্রে তার কোনও আপস নেই। বরং বয়স যেন তাকে দিয়েছে আরও পরিপক্কতা। তার উপস্থিতিতেই তিনি আলাদা করে নজর কাড়েন। দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছেন তার মোহময় ব্যক্তিত্ব,ভঙ্গি এবং অনবদ্য স্টাইল দিয়ে।

FGT

সম্প্রতি দুবাইয়ের শো-স্টাপার হিসেবে হাজির হয়ে কারিশমা যেন অন্য যুগে নিয়ে গেলেন দর্শকদের। ঝলমলে নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত রাজকীয়তায় মোড়া একটি উপস্থিতি-যেখানে আভিজাত্যই ছিল মূল আকর্ষণ। রানওয়েতে পা রাখতেই মনে হলো যেন ব্রিজারটনের রাজপ্রাসাদ থেকে বেরিয়ে এসেছেন।

পীচ রঙের ফিটেড, মেঝে ছোঁয়া গাউন হাঁটু পর্যন্ত শরীরকে জড়িয়ে ধরে। কাঠামোবদ্ধ অথচ কোমল কাপড়, ভারী পৃষ্ঠকাজ-সব মিলিয়ে গাউনে ছিল নিখুঁত ভারসাম্য।

GTE

অফ-শোল্ডার বডিসটি সাজানো ছিল থ্রিডি ফুলের অ্যাপ্লিক দিয়ে। গলার রেখা থেকে হাতা পর্যন্ত স্তরভিত্তিক পাপড়ি, স্ফটিক এবং পুঁতির সূক্ষ্ম কাজ গাউনের সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ করেছে। কাঁধ থেকে ঝরে পড়া স্ফটিকের সুতা আলো স্পর্শ করলে যেন ঝলসে উঠছিল।গাউনের গায়ে জুড়ে ছোট ছোট পাথর ও সিকুইনের সূক্ষ্ম অলঙ্করণ নাটকীয়তা বাড়িয়েছে।

লুকের চূড়ান্ত নাটকীয়তা আসে বিশাল ট্রেনে। প্লিটেড ফ্যাব্রিক প্যানেলে গড়া এই অংশ তরঙ্গের মতো বক্ররেখা তৈরি করে পিছনে ও পাশে স্তরে স্তরে ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রতিটি ভাঁজে সূক্ষ্ম অলঙ্করণ চলার সঙ্গে সঙ্গে আলো ধরে এক নতুনমাত্রা তৈরি করছিল।

UI

চুল ছিল মসৃণ, নিচু পনিটেলে বাঁধা, যা নেকলাইন ও গাউনের পেছনের সৌন্দর্য আরও উজ্জ্বল করেছে। মেকআপে ক্লাসিক ছোঁয়া-মসৃণ বেস, নরম কনট্যুর, পীচি ব্লাশে উজ্জ্বল ত্বক। চোখে নিউট্রাল শ্যাডো, শার্প লাইনার, ঠোঁটে ছিল গোলাপি-বাদামি আভা।

গহনায় খুব সাধারণ নেকলেস বা ভারী কানের দুল না পরে শুধু একটি আংটি বেছে নিয়েছিলেন।
তার এই লুক একসঙ্গে রাজকীয় এবং রোমান্টিক। ঝলক নয় বরং মাধুর্য দিয়ে সবার নজর কেড়েছেন। দুবাইয়ের সেই সন্ধ্যায়, পীচ রঙা গাউনে তিনি শুধু রানওয়ে হাঁটেননি সময়কেও যেন থামিয়ে দিয়েছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি

আরও পড়ুন:
আত্মবিশ্বাস যখন ফ্যাশন হয়ে ওঠে 
পর্দার বাইরেও আলো ছড়ান এই স্টাইল কুইন 

এসএকেওয়াই/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow