৫৯ বছরেও হয়নি সেতু, নারী-শিশু ও বয়স্কদের জন্য যেন এক মৃত্যুফাঁদ
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী একটি খালের ওপর নির্মিত নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারের একমাত্র ভরসা হয়ে আছে। প্রায় ৫৯ বছর ধরে মানুষ এই সাঁকো ব্যবহার করলেও এখনো সেখানে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মাণ হয়নি। সরেজমিনে দেখা গেছে, আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের দুই ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণকারী খালটির ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি বেশ জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে সময়ে সময়েই সাঁকোটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী রাখছেন। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আলী ব্যাপারী (৬৫) জানান, শৈশবকাল থেকে তিনি এই বাঁশের সাঁকো দেখছেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ হয়নি। প্রতিদিন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শত শত শিক্ষার্থীকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পার হতে হয়। এলাকার যুবক রহমান (৩৫) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচলের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটি এক ধরনের মৃত্যুফাঁদ। অনেক শিশু সাঁতার জানে না। বর্ষাকালে খাল পানিতে পূর্ণ থাকলে সামান্য অসাবধানতায় বড় ধরন
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী একটি খালের ওপর নির্মিত নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারের একমাত্র ভরসা হয়ে আছে। প্রায় ৫৯ বছর ধরে মানুষ এই সাঁকো ব্যবহার করলেও এখনো সেখানে কোনো স্থায়ী সেতু নির্মাণ হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের দুই ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণকারী খালটির ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি বেশ জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের উদ্যোগে সময়ে সময়েই সাঁকোটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী রাখছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আলী ব্যাপারী (৬৫) জানান, শৈশবকাল থেকে তিনি এই বাঁশের সাঁকো দেখছেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ হয়নি। প্রতিদিন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শত শত শিক্ষার্থীকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পার হতে হয়।
এলাকার যুবক রহমান (৩৫) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচলের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটি এক ধরনের মৃত্যুফাঁদ। অনেক শিশু সাঁতার জানে না। বর্ষাকালে খাল পানিতে পূর্ণ থাকলে সামান্য অসাবধানতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।'
স্থানীয়দের দাবি, খালের ওপর একটি স্থায়ী ও টেকসই সেতু নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, তাদের আর কোনো বিশেষ দাবি নেই। শুধু খালটির ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
এ বিষয়ে বাউফল-দশমিনা আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, 'বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে সেতু নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'
স্থানীয়রা দ্রুত সেতু নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সংসদ সদস্যের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।
What's Your Reaction?