৫ মের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত হোক: আহমাদুল্লাহ

২০১৩ সালের ৫ মের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। মঙ্গলবার (০৫ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ৫ মের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত হোক। ইসলামের বিরুদ্ধে কাঠামোগত বিদ্বেষের পথ চিরতরে বন্ধ হোক। এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, শাপলা চত্বরের গণহত্যাকে অস্বীকার করে বাংলাদেশ কোনোদিন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পৌঁছাতে পারবে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের দাবি, শাপলা চত্বরসহ বিগত ১৫ বছরের সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর বাংলামটরে এনসিপি কার্যালয়ে ‘শাপলা গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সারোয়ার তুষার বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধ একদিনে শুরু হয়নি। এটি শুরু হয়েছিল পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে, এরপর শাপলা চত্বরের গণহত্যা ঘটে। আইসিটি ট্রাইব্যুনাল আজ স্বীকার করছে, সেখানে অন্তত ৩২ জনকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ দীর্ঘ সময় ধরে এই সত্যকে অ

৫ মের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত হোক: আহমাদুল্লাহ

২০১৩ সালের ৫ মের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ।

মঙ্গলবার (০৫ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ৫ মের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত হোক। ইসলামের বিরুদ্ধে কাঠামোগত বিদ্বেষের পথ চিরতরে বন্ধ হোক।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, শাপলা চত্বরের গণহত্যাকে অস্বীকার করে বাংলাদেশ কোনোদিন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পৌঁছাতে পারবে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের দাবি, শাপলা চত্বরসহ বিগত ১৫ বছরের সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর বাংলামটরে এনসিপি কার্যালয়ে ‘শাপলা গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সারোয়ার তুষার বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধ একদিনে শুরু হয়নি। এটি শুরু হয়েছিল পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে, এরপর শাপলা চত্বরের গণহত্যা ঘটে। আইসিটি ট্রাইব্যুনাল আজ স্বীকার করছে, সেখানে অন্তত ৩২ জনকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ দীর্ঘ সময় ধরে এই সত্যকে অস্বীকার করে জুলুম চালানো হয়েছে।

জেনোসাইড বা গণহত্যা—হত্যাকাণ্ডের চেয়েও বড় অপরাধ হলো সেটি অস্বীকার করা—এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা নিয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে, তবে তাদের দাবির মধ্যে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন না করার যে বিষয়টি ছিল, তা অত্যন্ত ন্যায্য।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্ম অবমাননাকে ‘হেট স্পিচ’ হিসেবে গণ্য করা হয়। রাষ্ট্রকে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতে হয়, কিন্তু বিগত সরকার নিজেই পক্ষ হয়ে জনগণের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে।

আওয়ামী লীগের রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, মজলুম আলেম-ওলামা ও মাসুম শিশুদের অভিশাপেই শেখ হাসিনা আজ দিল্লির অন্ধকার প্রকোষ্ঠে ধুঁকে ধুঁকে মরছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের আর ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। এমনকি তিনি মারা গেলে দাফন করার লোক পাবেন কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow