৬ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের
ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নগরী পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার মধ্যে নগরের সব বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (২৫ মে) নগরের টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সভায় পরিচ্ছন্ন বিভাগ, যান্ত্রিক শাখা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মেয়র বলেন, কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। আমাদের লক্ষ্য, ছয় ঘণ্টার মধ্যেই পুরো নগরীর বর্জ্য পরিষ্কার করা। তিনি জানান, নগরের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করবেন তিনি নিজেও। বিমান অফিস সংলগ্ন সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এলাকা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। সভায় মেয়র ওয়ার্ডভিত্তিক নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই এবং চসিকের সরবরাহ করা পলিথিন ব্যাগে বর্জ্য সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যত্রতত্র বর্জ্য পড়ে থাকলে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং
ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নগরী পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার মধ্যে নগরের সব বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (২৫ মে) নগরের টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সভায় পরিচ্ছন্ন বিভাগ, যান্ত্রিক শাখা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মেয়র বলেন, কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। আমাদের লক্ষ্য, ছয় ঘণ্টার মধ্যেই পুরো নগরীর বর্জ্য পরিষ্কার করা।
তিনি জানান, নগরের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করবেন তিনি নিজেও। বিমান অফিস সংলগ্ন সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এলাকা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে।
সভায় মেয়র ওয়ার্ডভিত্তিক নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই এবং চসিকের সরবরাহ করা পলিথিন ব্যাগে বর্জ্য সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, যত্রতত্র বর্জ্য পড়ে থাকলে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
কোরবানির পশুর চামড়া ব্যবস্থাপনাকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন মেয়র। তিনি বলেন, চামড়া ব্যবসায়ী, আড়তদার ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সঙ্গে ইতোমধ্যে বৈঠক হয়েছে। চামড়া যেন কোথাও পড়ে থেকে পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় জানানো হয়, ঈদের দিন নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য আলাদা গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জোন কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সমন্বয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সবচেয়ে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ করতে পারা তিনটি ওয়ার্ডকে পুরস্কৃত করার ঘোষণাও দেন মেয়র। তবে দ্রুততার কারণে যেন পরিচ্ছন্নতার মানে কোনো ঘাটতি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় আরও বক্তব্য দেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি ও যান্ত্রিক শাখার কর্মকর্তারা।
এমআরএএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?