৬ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর সজীব (১৯) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।  রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৬টার দিকে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়াঘাট এলাকা সংলগ্ন নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সজীব উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মালেকের ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন এবং সম্প্রতি বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে সজীবসহ চার বন্ধু মিলে করতোয়া নদীতে গোসল করতে নামেন। সাঁতার না জানায় সজীব ও তার আরেক বন্ধু নদীর গভীর পানিতে তলিয়ে যেতে থাকেন। সঙ্গে থাকা অপর দুই বন্ধু একজনকে টেনে তুলতে সক্ষম হলেও সজীব চোখের পলকেই নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে বোদা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার কাজ শুরু করে। তবে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও সজীবের সন্ধান না মেলায় রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দল তলব করা হয়। পরে ডুবুরিরা প্রায় ৩০ মিনিট চেষ্টা চালিয়ে নদীর গভীর থেকে সজীবের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সজীব ঢাকায় কাজ করতে

৬ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর সজীব (১৯) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।  রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৬টার দিকে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়াঘাট এলাকা সংলগ্ন নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সজীব উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মালেকের ছেলে। তিনি পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন এবং সম্প্রতি বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে সজীবসহ চার বন্ধু মিলে করতোয়া নদীতে গোসল করতে নামেন। সাঁতার না জানায় সজীব ও তার আরেক বন্ধু নদীর গভীর পানিতে তলিয়ে যেতে থাকেন। সঙ্গে থাকা অপর দুই বন্ধু একজনকে টেনে তুলতে সক্ষম হলেও সজীব চোখের পলকেই নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে বোদা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার কাজ শুরু করে। তবে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও সজীবের সন্ধান না মেলায় রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দল তলব করা হয়। পরে ডুবুরিরা প্রায় ৩০ মিনিট চেষ্টা চালিয়ে নদীর গভীর থেকে সজীবের নিথর দেহ উদ্ধার করেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সজীব ঢাকায় কাজ করতেন এবং এক সপ্তাহ আগে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন। পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট ও ভিসা সম্পন্ন করেছিলেন। আজই তার ঢাকায় ফেরার কথা ছিল, কিন্তু মর্মান্তিক এই মৃত্যুতে সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেল। বোদা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর রায়হান ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযান শুরু করি। স্থানীয়ভাবে উদ্ধার সম্ভব না হওয়ায় রংপুর থেকে ডুবুরি দল আনা হয়। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow