৬ বছরের মেয়েকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগে বাবার বিরুদ্ধে

শেরপুরের নকলায় ছয় বছরের কন্যাসন্তানকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। বড় মেয়েকে হত্যার পর ছোট মেয়ে মিম আক্তারের (৪) গলা টিপে ধরেন তিনি। শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  রোববার (১৮ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের চরবসন্তী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ অভিযোগে শিশুদের বাবা অটোরিকশাচালক বাবুল মিয়াকে (৩৬) আটক করেছে পুলিশ। নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জাগো নিউজকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চরবসন্তী এলাকার রবি মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়ার সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের জেরে বাবার বাড়ি চলে যান স্ত্রী। বাবুল মিয়া দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। রোববার ভোরে নিজ বাড়িতে আসার পর হঠাৎ তার সন্তানদের সঙ্গে রাগারাগির একপর্যায়ে গলা টিপে ধরেন। বড় মেয়ে মরিয়ম আক্তারকে হত্যার পর ছোট মেয়ে মিম আক্তারের গলা টিপে ধরতে যান। এসময় শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করেন। তারা নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মরিয়মকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় মিমকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নকলা থানার ওসি রিপন চন্

৬ বছরের মেয়েকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগে বাবার বিরুদ্ধে

শেরপুরের নকলায় ছয় বছরের কন্যাসন্তানকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বাবার বিরুদ্ধে। বড় মেয়েকে হত্যার পর ছোট মেয়ে মিম আক্তারের (৪) গলা টিপে ধরেন তিনি। শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

রোববার (১৮ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের চরবসন্তী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ অভিযোগে শিশুদের বাবা অটোরিকশাচালক বাবুল মিয়াকে (৩৬) আটক করেছে পুলিশ।

নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জাগো নিউজকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চরবসন্তী এলাকার রবি মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়ার সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের জেরে বাবার বাড়ি চলে যান স্ত্রী। বাবুল মিয়া দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় থাকেন। রোববার ভোরে নিজ বাড়িতে আসার পর হঠাৎ তার সন্তানদের সঙ্গে রাগারাগির একপর্যায়ে গলা টিপে ধরেন।

বড় মেয়ে মরিয়ম আক্তারকে হত্যার পর ছোট মেয়ে মিম আক্তারের গলা টিপে ধরতে যান। এসময় শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাদের উদ্ধার করেন। তারা নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মরিয়মকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় মিমকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নকলা থানার ওসি রিপন চন্দ্র গোপ জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

মো. নাঈম ইসলাম/এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow