৭ মাস পর লাশ উত্তোলন, তদন্তে নতুন মোড়

নড়াইলের লোহাগড়ায় দাফনের ৭ মাস ১০ দিন পর কবর থেকে মুকুল মোল্যা (৫৪) নামে এক পার্ক ম্যানেজারের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার লক্ষ্মীপাশা কেন্দ্রীয় গোরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়। মুকুল মোল্যা লোহাগড়া পৌর শহরের লক্ষ্মীপাশা এলাকার মৃত রুহুল মোল্যার ছেলে। পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মুকুল মোল্যা লোহাগড়া শহরের রামপুর এলাকায় ‘নিরিবিলি পিকনিক স্পটে’ কাউন্টার ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  গতবছরের ২৭ আগস্ট বিকেলে একই শহরের রাজুপুর এলাকার ভাড়াটিয়া আবু সাঈদ, আরিনা জান্নাতুল ও সাহানুর বেগমসহ কয়েকজন রামপুর পিকনিক স্পটে আসেন। এ সময় রাত্রিযাপনের জন্য কক্ষ ভাড়া করা নিয়ে ম্যানেজার মুকুলের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়।  একপর্যায়ে তারা সংঘবদ্ধভাবে মুকুলকে মারধর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মারধরের একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মুকুলকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ঘটনার সময় মুকুলকে মারধরের বিষয়টি পরিবার জানতো না। পরিবার জানতো মুকুল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ হাসপাতাল থেকে

৭ মাস পর লাশ উত্তোলন, তদন্তে নতুন মোড়

নড়াইলের লোহাগড়ায় দাফনের ৭ মাস ১০ দিন পর কবর থেকে মুকুল মোল্যা (৫৪) নামে এক পার্ক ম্যানেজারের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার লক্ষ্মীপাশা কেন্দ্রীয় গোরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়। মুকুল মোল্যা লোহাগড়া পৌর শহরের লক্ষ্মীপাশা এলাকার মৃত রুহুল মোল্যার ছেলে।

পরিবার ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মুকুল মোল্যা লোহাগড়া শহরের রামপুর এলাকায় ‘নিরিবিলি পিকনিক স্পটে’ কাউন্টার ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

গতবছরের ২৭ আগস্ট বিকেলে একই শহরের রাজুপুর এলাকার ভাড়াটিয়া আবু সাঈদ, আরিনা জান্নাতুল ও সাহানুর বেগমসহ কয়েকজন রামপুর পিকনিক স্পটে আসেন। এ সময় রাত্রিযাপনের জন্য কক্ষ ভাড়া করা নিয়ে ম্যানেজার মুকুলের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। 

একপর্যায়ে তারা সংঘবদ্ধভাবে মুকুলকে মারধর করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মারধরের একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মুকুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে ঘটনার সময় মুকুলকে মারধরের বিষয়টি পরিবার জানতো না। পরিবার জানতো মুকুল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে পরের দিন দাফন করেন।

মরদেহ দাফনের পর মুকুলের ওপর হামলার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা মারধরের বিষয়টি জানতে পারেন। 

এরপর ওই বছরের ২ নভেম্বর মুকুলের বোন রেহেনা পারভিন বাদী হয়ে লোহাগড়া আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। 

মামলার তদন্তের স্বার্থে সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত মুকুলের মরদেহ উত্তোলন করে সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow