‘যুদ্ধে আমরা জিতেছি, আমরাই হরমুজে টোল বসাবো’

ইরান যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র টোল আরোপ করতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুদ্ধের বিজয়ী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রেরই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিয়ন্ত্রণ ও অর্থ আদায়ের অধিকার থাকা উচিত। সোমবার (৬ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরানকে কেন টোল নিতে দেওয়া হবে? বরং আমরাই কেন নেবো না? আমরা তো বিজয়ী—আমরাই জিতেছি।’ যুদ্ধের শুরু থেকেই ট্রাম্প দাবি করে আসছেন, ইরান সামরিকভাবে পরাজিত হয়েছে। যদিও বাস্তবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং হরমুজ প্রণালিতেও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। আরও পড়ুন>>‘সাময়িক যুদ্ধবিরতি’র বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরানমিত্রদের ‘সাহস করে’ হরমুজে গিয়ে তেল ‘ছিনিয়ে নিতে’ বললেন ট্রাম্পআল-জাজিরার বিশ্লেষণ/ হরমুজ খুললেই কাটবে না সংকট, রেশ থাকবে বহুদিন ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের হাতে শুধু মনস্তাত্ত্বিক ভয় দেখানোর কৌশল আছে—যেমন পানিতে মাইন ফেলা। কিন্তু আমাদের পরিকল্পনা হলো টোল আরোপ করা।’ পারস্য উপসাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি। এর বেশিরভাগ অংশ ইরান ও ওমান

‘যুদ্ধে আমরা জিতেছি, আমরাই হরমুজে টোল বসাবো’

ইরান যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র টোল আরোপ করতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুদ্ধের বিজয়ী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রেরই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিয়ন্ত্রণ ও অর্থ আদায়ের অধিকার থাকা উচিত।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরানকে কেন টোল নিতে দেওয়া হবে? বরং আমরাই কেন নেবো না? আমরা তো বিজয়ী—আমরাই জিতেছি।’

যুদ্ধের শুরু থেকেই ট্রাম্প দাবি করে আসছেন, ইরান সামরিকভাবে পরাজিত হয়েছে। যদিও বাস্তবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং হরমুজ প্রণালিতেও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।

আরও পড়ুন>>
‘সাময়িক যুদ্ধবিরতি’র বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি খুলবে না ইরান
মিত্রদের ‘সাহস করে’ হরমুজে গিয়ে তেল ‘ছিনিয়ে নিতে’ বললেন ট্রাম্প
আল-জাজিরার বিশ্লেষণ/ হরমুজ খুললেই কাটবে না সংকট, রেশ থাকবে বহুদিন

ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের হাতে শুধু মনস্তাত্ত্বিক ভয় দেখানোর কৌশল আছে—যেমন পানিতে মাইন ফেলা। কিন্তু আমাদের পরিকল্পনা হলো টোল আরোপ করা।’

পারস্য উপসাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি। এর বেশিরভাগ অংশ ইরান ও ওমানের জলসীমার মধ্যে অবস্থিত। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

চুক্তির শর্ত প্রণালি খোলা

ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে যে কোনো চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি ফের খুলে দিতে হবে। ‘আমাদের এমন একটি চুক্তি দরকার যা আমার কাছে গ্রহণযোগ্য, এবং তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো—তেলের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা,’ বলেন তিনি।

এর আগে তেহরানকে ‘চূড়ান্ত’ আল্টিমেটাম দিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, মঙ্গলবারের মধ্যে প্রণালি খুলে দিতে হবে, না হলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা চালানো হবে।

ইরানের পাল্টা অবস্থান

অন্যদিকে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি আর আগের মতো থাকবে না।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে নতুন ব্যবস্থাপনার কথা বলেছেন। তিনি মনে করেন, প্রণালির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে নতুন প্রোটোকল তৈরি করা প্রয়োজন।

সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow