৮৪ দেশে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো নাজমুন নাহার পেলেন ইউএস-বাংলার স্বীকৃতি

নাজমুন নাহার বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রচনা করেছেন। বিশ্বের ৮৪টি দেশে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করে তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এই অনন্য কীর্তি অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বের প্রথম মুসলিম নারী, যিনি এত বিস্তৃত পরিসরে জাতীয় পতাকা নিয়ে বিশ্বভ্রমণ সম্পন্ন করেছেন। এই অসাধারণ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের বৃহত্তম বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স তাকে সম্মানসূচক উপাধি ‘ফ্ল্যাগ লরিয়েট অব ন্যাশনাল প্রাইড’ প্রদান করেছে। নাজমুন নাহারের এই যাত্রা সাহস, ঐক্য, শান্তি এবং পরিবেশগত দায়িত্ববোধের এক শক্তিশালী বার্তা বহন করে। সীমান্ত পেরিয়ে তার এই অভিযান বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার উজ্জ্বল প্রতিফলন ঘটিয়েছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে সম্মাননাপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশনস) কামরুল ইসলাম, হেড অব ডিজিটাল মার্কেটিং মীর তাজমুল হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সংস্থাটি জানিয়েছে, জাতীয় গর্ব, সাহসিকতা এবং বৈশ্বিক দায়িত্ববোধে অন

৮৪ দেশে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো নাজমুন নাহার পেলেন ইউএস-বাংলার স্বীকৃতি

নাজমুন নাহার বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রচনা করেছেন। বিশ্বের ৮৪টি দেশে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করে তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এই অনন্য কীর্তি অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বের প্রথম মুসলিম নারী, যিনি এত বিস্তৃত পরিসরে জাতীয় পতাকা নিয়ে বিশ্বভ্রমণ সম্পন্ন করেছেন।

এই অসাধারণ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের বৃহত্তম বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স তাকে সম্মানসূচক উপাধি ‘ফ্ল্যাগ লরিয়েট অব ন্যাশনাল প্রাইড’ প্রদান করেছে।

নাজমুন নাহারের এই যাত্রা সাহস, ঐক্য, শান্তি এবং পরিবেশগত দায়িত্ববোধের এক শক্তিশালী বার্তা বহন করে। সীমান্ত পেরিয়ে তার এই অভিযান বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার উজ্জ্বল প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে সম্মাননাপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশনস) কামরুল ইসলাম, হেড অব ডিজিটাল মার্কেটিং মীর তাজমুল হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংস্থাটি জানিয়েছে, জাতীয় গর্ব, সাহসিকতা এবং বৈশ্বিক দায়িত্ববোধে অনুপ্রাণিত ব্যক্তিত্বদের সম্মান প্রদানের প্রচেষ্টা তাদের অঙ্গীকারের অংশ। নাজমুন নাহারের এই অর্জন বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশকে তুলে ধরতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow