ফিতরা কী, কাদের ওপর ওয়াজিব? জান�ন বিস�তারিত

সাদাকাত�ল ফিতর মূলত দ�টি আরবি শব�দের সমষ�টি। �র মধ�যে সাদাকা শব�দের আভিধানিক অর�থ হলো দান, আর ফিতর শব�দের আভিধানিক অর�থ হলো উন�ম�ক�তকরণ বা রোজা ভঙ�গকরণ। দীর�ঘ �ক মাস সিয়াম পালনের পর যেহেত� তা ভঙ�গ করা হয় �বং � উপলক�ষে শরিয়ত কর�তৃক আরোপিত �ই দান অসহায় ও দরিদ�রদের মা�ে বিতরণ করা হয়, তাই �কে সাদাকাত�ল ফিতর নামে আখ�যায়িত করা হয়। ফিতরা দেওয়া কী �বং কেন দিতে হয়? প�রত�যেক সামর�থ�যবান

ফিতরা কী, কাদের ওপর ওয়াজিব? জান�ন বিস�তারিত

সাদাকাত�ল ফিতর মূলত দ�টি আরবি শব�দের সমষ�টি। �র মধ�যে সাদাকা শব�দের আভিধানিক অর�থ হলো দান, আর ফিতর শব�দের আভিধানিক অর�থ হলো উন�ম�ক�তকরণ বা রোজা ভঙ�গকরণ। দীর�ঘ �ক মাস সিয়াম পালনের পর যেহেত� তা ভঙ�গ করা হয় �বং � উপলক�ষে শরিয়ত কর�তৃক আরোপিত �ই দান অসহায় ও দরিদ�রদের মা�ে বিতরণ করা হয়, তাই �কে সাদাকাত�ল ফিতর নামে আখ�যায়িত করা হয়।

ফিতরা দেওয়া কী �বং কেন দিতে হয়?

প�রত�যেক সামর�থ�যবান ম�সলিম নর-নারীর জন�য ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব। রাস�ল (সা.) বলেছেন, দ�টি কারণে সাদাকাত�ল ফিতরকে উম�মতের জন�য ওয়াজিব করা হয়েছে। �ক.অশ�লীল কথা ও অর�থহীন কাজ হতে মাহে রমজানের সাওমকে পবিত�র করার জন�য। দ�ই. গরিব-মিসকিনদের খাবারের ব�যবস�থা করার জন�য। (স�নানে আব� দাউদ : ১৬০৯)

কাদের ওপর সাদাকাত�ল ফিতর ওয়াজিব

যেসব ম�সলিম নর-নারীর মালিকানায় মৌলিক প�রয়োজনের অতিরিক�ত সাড়ে বায়ান�ন তোলা র�পার মূল�য সমপরিমাণ সম�পদ রয়েছে, তাদের ওপর সাদাকাত�ল ফিতর ওয়াজিব। সাদাকাত�ল ফিতর ওয়াজিব হওয়ার জন�য স�স�থ মস�তিষ�কসম�পন�ন অথবা ব��মান-বালেগ হওয়া কিংবা ম�কিম হওয়া শর�ত নয়। অব��-নাবালেগ, ম�সাফির �বং মানসিক ভারসাম�যহীন ব�যক�তিও নেসাব পরিমাণ সম�পদের মালিক হলে তাদের ওপরও সাদাকাত�ল ফিতর ওয়াজিব হবে।

হাদিসে নবীজি (সা.) ছোট-বড় সকলের পক�ষ থেকে সাদাকাত�ল ফিতর আদায়ের নির�দেশ দিয়েছেন। নাবালেগ, মানসিক ভারসাম�যহীনের সম�পদ থেকে তার অভিভাবক সদকায়ে ফিতর আদায় করবেন। (রদ�দ�ল ম�হতার : ২/৩৫৯)

মাসআলা : সাদাকাত�ল ফিতরের নেসাবের ক�ষেত�রে টাকা-পয়সা, সোনা- র�পা, অলংকার, ব�যবসায়িক পণ�যের সাথে বসবাস ও খোরাকির প�রয়োজনে আসে না �মন জমি, বসবাসের অতিরিক�ত বাড়ি, অপ�রয়োজনীয় আসবাবপত�র– �সব কিছ�ও হিসাবযোগ�য। �সব মিলে যদি সাড়ে বায়ান�ন তোলা র�পার সমমূল�যের সম�পদ থাকে, তাহলেও সাদাকাত�ল ফিতর ওয়াজিব হবে।

নেসাবের ওপর বছরপূর�তি কি জর�রি?

সাদাকাত�ল ফিতর ওয়াজিব হওয়ার জন�য নেসাবের ওপর বছরপূর�তি জর�রি নয়; ঈদ�ল ফিতরের দিন স�বহে সাদিকের সময় নেসাব পরিমাণ সম�পদ থাকলে সাদাকাত�ল ফিতর ওয়াজিব হয়। তবে কেউ যদি ঋণগ�রস�ত হলে সে ঋণ বাদ দিয়ে নেসাবের হিসাব করবে।

মাসআলা : কেউ রমজানের রোজা রাখতে না পারলেও নেসাব পরিমাণ সম�পদ থাকলে তার সদকায়ে ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। (বাদায়েউস সানায়ে : ২/১৯৯)

ইফতার ও সেহরির টাইম জানতে ক�লিক কর�ন..

মাসআলা : ঈদ�ল ফিতরের দিন স�বহে সাদিকের সময় সাদাকাত�ল ফিতর ওয়াজিব হয়। স�তরাং যে সন�তান ঈদ�ল ফিতরের দিন স�বহে সাদিকের পর জন�মগ�রহণ করবে, তার পক�ষ থেকে সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করতে হবে না। অন�রূপ কেউ যদি ঈদ�ল ফিতরের দিন স�বহে সাদিকের আগে মারা যায়, তাহলে তার ওপরও সদকায়ে ফিতর ওয়াজিব হয় না। (বাদায়েউস সানায়ে : ২/২০৬, খ�লাসাত�ল ফাতাওয়া : ১/২৭৫)

যাদের পক�ষ থেকে ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব

সাদাকাত�ল ফিতর ওয়াজিব �মন প�রত�যেকে তার নিজের পক�ষ থেকে �বং নাবালেগ সন�তানের পক�ষ থেকে (যদি সন�তানের নেসাব পরিমাণ সম�পদ না থাকে) সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করবে। (ফাতাওয়া হিন�দিয়া : ১/১৯৩)

মাসআলা : পিতা-মাতা, স�ত�রী ও বালেগ সন�তানের পক�ষ থেকে সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব নয়। তারা নিজেরা প�রয়োজনের অতিরিক�ত নেসাব পরিমাণ সম�পদের মালিক হলে তাদের ওপর সদকায়ে ফিতর আদায় করা ওয়াজিব হবে। (ফাতাওয়া হিন�দিয়া : ১/১৯৩, মারাকিল ফালাহ : পৃ. ৩৯৫)

মাসআলা : মা সামর�থ�যবান হলেও নাবালেগ সন�তানের পক�ষ থেকে সদকায়ে ফিতর আদায় করা তার ওপর ওয়াজিব নয়। (কিতাব�ল আছল : ২/১৭৭, ফাতাওয়া হিন�দিয়া : ১/১৯৩, রদ�দ�ল ম�হতার : ২/৩৬৩)

মাসআলা : সামর�থ�যবান দাদার ওপর নাতি-নাতনিদের সদকায়ে ফিতর আদায় করা ওয়াজিব নয়। পিতা জীবিত না থাকলে �বং দাদা নাতি-নাতনিদের ভরণপোষণের দায়িত�ব আঞ�জাম দিলেও দাদার ওপর তাদের সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করা জর�রি নয়। অবশ�য কোনো কোনো আলেমের মতে, �ক�ষেত�রে দাদার ওপর নাতির সদকা আদায় করা জর�রি। তাই �মন ক�ষেত�রে দাদা যদি নাতি-নাতনিদের সদকা আদায় করে দেন তাহলে সেটি ভালো হয়। (কিতাব�ল আছল : ২/১৭৭, ফাতাওয়া খানিয়া : ১/২২৮, রদ�দ�ল ম�হতার : ২/৩৬৩)

মাসআলা : বালেগ সন�তানাদি ও স�ত�রীর পক�ষ থেকে সদকায়ে ফিতর আদায় করে দিলে তা আদায় হয়ে যাবে।

নাফে‘ (রাহ.) বলেন, আবদ�ল�লাহ ইবনে উমর (রা.) তা�র স�ত�রীদের পক�ষ থেকে সদাকাত�ল ফিতর প�রদান করতেন। (ম�সান�নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদিস : ১০৪৫৫)

বিষয়টি প�রচলিত হওয়ায় তাদের অন�মতি জর�রি নয়। তবে আদায়ের আগে তাদেরকে বলে নেওয়া ভালো। আর স�ত�রীর দায়িত�ব হলো, সদাকাত�ল ফিতর নিজেই আদায় করা অথবা তার পক�ষ থেকে আদায় করা হয়েছে কি না– �র খো�জ রাখা। (আলমাবসূত, সারাখসী : ৩/১০৫, ফাতাওয়া খানিয়া : ১/২২৮, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া : ৩/৪৬১, আলবাহর�র রায়েক ২/২৫২, ফাতাওয়া হিন�দিয়া : ১/১৯৩)

মাসআলা : নেসাবের মালিক নাবালেগ ছেলে-মেয়ের সাদাকাত�ল ফিতর তার সম�পদ থেকেই আদায় করা নিয়ম। তাই অভিভাবক বাচ�চার সম�পদ থেকে ফিতরা আদায় করে দেবে। তবে পিতা ইচ�ছা করলে নিজ সম�পদ থেকেও তা আদায় করে দিতে পারেন। (ম�সান�নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৩/৬৩, সহিহ বোখারি : ১/২০৪, বাদায়েউস সানায়ে : ২/১৯৯, আলবাহর�র রায়েক : ২/৪৩৯-৪৪০, আলমাবসূত, সারাখসী : ৩/১০৪, হেদায়া : ২/২২১, খ�লাসাত�ল ফাতাওয়া :  ১/২৭৩)

সাদাকাত�ল ফিতরের পরিমাণ

হাদিসে মোট পা�চ প�রকার খাদ�য দ�বারা সাদাকাত�ল ফিতর আদায়ের বর�ণনা পাওয়া যায়। যথা : ১. যব, ২. খেজ�র, ৩. পনির, ৪. কিশমিশ ৫. গম। � পা�চ প�রকারের মধ�যে যব, খেজ�র, পনির ও কিশমিশ দ�বারা সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করতে চাইলে মাথাপিছ� �ক সা‘ পরিমাণ দিতে হবে। কেজির হিসাবে যা ৩ কেজি ২৭০ গ�রাম। আর গম দ�বারা আদায় করতে চাইলে আধা সা‘ দিতে হবে। কেজির হিসাবে ১ কেজি ৬৩৫ গ�রাম। �টা ওজনের দিক দিয়ে তফাৎ। আর মূল�যের পার�থক�য তো আছেই।

উল�লেখ�য, হাদিসে � পা�চটি দ�রব�যের যে কোনোটি দ�বারা ফিতরা আদায়ের স�যোগ দেওয়া হয়েছে, যেন ম�সলমানগণ নিজ নিজ সামর�থ�য ও স�বিধা অন�যায়ী �র যে কোনোটি দ�বারা তা আদায় করতে পারেন। তাই �ক�ষেত�রে উত�তম হলো, যার উন�নতমানের আজওয়া খেজ�রের হিসাবে সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করার সামর�থ�য আছে, তার জন�য ওই হিসাবেই দেওয়া। যার সাধ�য পনির হিসাবে দেওয়ার, তিনি তাই দেবেন। �রচেয়ে কম আয়ের লোকেরা খেজ�র বা কিশমিশের হিসাব গ�রহণ করতে পারেন। আর যার জন�য �গ�লোর হিসাবে দেওয়া কঠিন, তিনি আদায় করবেন গম দ�বারা।

কোরআনের নির�দেশনা, অবশ�য কেউ যদি স�বতঃস�ফূর�তভাবে কোনো প�ণ�যের কাজ করে (�বং নির�ধারিত পরিমাণের চেয়ে আরো বাড়িয়ে দেয়), তবে তার পক�ষে তা শ�রেয়। (স�রা বাকারা : ১৮৪)

কোনো ব�যক�তি হাদিসে বর�ণিত যেকোনো খাদ�যদ�রব�য দ�বারা সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করলে তার সাদাকাত�ল ফিতর আদায় হয়ে যাবে।

সাদাকাত�ল ফিতর আদায়ের পদ�ধতি

হাদিসে বর�ণিত দ�রব�যগ�লো দ�বারা যেমন সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করা যায়, তেমনি �গ�লোর মূল�য দ�বারাও আদায় করা যাবে। ক�ররা (রাহ.) বলেন, আমাদের কাছে উমর ইবনে আবদ�ল আজিজ (রাহ.)-�র ফরমান পৌ�ছেছে যে, সাদাকাত�ল ফিতর হচ�ছে প�রত�যেক (সামর�থ�যবান) ব�যক�তির পক�ষ হতে অর�ধ সা‘ (গম) কিংবা তার মূল�য হিসাবে অর�ধ দিরহাম প�রদান করা। (ম�সান�নাফে ইবনে আবি শাইবা, বর�ণনা ১০৪৭০)

বিশিষ�ট তাবেয়ি আব� ইসহাক (রাহ.) বলেন, আমি  তাদেরকে (সাহাবা-তাবেয়িগণকে) খাবারের মূল�য দ�বারা সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করতে দেখেছি। (সহিহ বোখারি : ১/১৯৪, উমদাত�ল কারী :  ৯/৪, ম�সান�নাফে ইবনে আবী শাইবা : ১০৪৭২, কিতাব�ল আছল : ২/১৮০, ইখতিলাফ�ল উলামা, মারওয়াযী পৃ. ১০৯; আলমাবসূত, সারাখসী : ২/১৫৬; বাদায়েউস সানায়ে : ২/২০৫)

মাসআলা : চাল বা অন�যান�য খাদ�যশস�য দ�বারাও সদকায়ে ফিতর আদায় করা যায়। সেক�ষেত�রে ১ কেজি ৬৩৫ গ�রাম গম অথবা ৩ কেজি ২৭০ গ�রাম খেজ�র বা যবের মূল�যের সমপরিমাণ চাল দিতে হবে। (ম�সান�নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদিস ১০৪৭২; কিতাব�ল আছল : ২/১৮০; আলমাবসূত, সারাখসী : ৩/১১৪; ফাতাওয়া ওয়ালওয়ালিজিয়�যা : ১/২৪৭; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া : ৩/৪৫৫)

মাসআলা : �কজন গরিবকে পূর�ণ �কটি ফিতরা দেওয়া উত�তম। অবশ�য �ক ফিতরা কয়েকজনকে ভাগ করে দেওয়াও জায়েয আছে। �মনিভাবে �কাধিক ফিতরা �ক ব�যক�তিকেও দেওয়া জায়েয। (বাদায়েউস সানায়ে : ২/২০৮, আদ�দ�রর�ল ম�খতার : ২/৩৬৭)

প�রবাসে অবস�থানরতরা যেভাবে ফিতরা আদায় করবেন

বিদেশে অবস�থানরত কারো পক�ষ থেকে দেশে সদকায়ে ফিতর আদায় করতে চাইলে ওই দেশের হিসাবে সদকায়ে ফিতর আদায় করতে হবে। উদাহরণস�বরূপ, সৌদি আরবে অবস�থানরত কেউ � দেশে তার সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করতে চাইলে সৌদি আরবের নির�ধারিত ন�যূনতম সদকায়ে ফিতরের মূল�য যদি আট শ টাকা হয়ে থাকে, তাহলে তার পক�ষ থেকে � দেশে সদকায়ে ফিতর আট শ টাকা আদায় করতে হবে। (বাদায়েউস সানায়ে : ২/২০৮, আলম�হিত�ল ব�রহানি :  ৩/৩৮৭, আলবাহর�র রায়েক : ২/২৫০, রদ�দ�ল ম�হতার : ২/৩৫৫)

মাসআলা : অধীনদের সদকায়ে ফিতর আদায়ের ক�ষেত�রেও আদায়কারীর অবস�থানস�থল ধর�তব�য হবে। স�তরাং যারা প�রবাসে থাকেন, তাদের না-বালেগ সন�তান দেশে থাকলেও প�রবাসের মূল�য হিসাবে সদকায়ে ফিতর আদায় করবেন। (বাদায়েউস সানায়ে : ২/২০৮, আলবাহর�র রায়েক ২/২৫০; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/৪৬২, ফাতাওয়া বায�যাযিয়া : ৬/২৮৯)

সাদাকাত�ল ফিতর আদায়ের সময়

সাদাকাত�ল ফিতর ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পূর�বে আদায় করা উত�তম। আবদ�ল�লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, রাস�ল�ল�লাহ (সা.) লোকজন ঈদের নামাজেরে উদ�দেশে উদ�দেশ�যে বের হওয়ার পূর�বে সাদাকাত�ল ফিতর আদায় করার নির�দেশ দিয়েছেন। (সহিহ বোখারি : ১৫০৯)

অবশ�য কোনো কোনো সাহাবি থেকে ঈদের কয়েকদিন পূর�বেও ফিতরা আদায়ের কথা প�রমাণিত আছে। যেমন নাফে‘ (রাহ.) বলেন, আবদ�ল�লাহ ইবনে উমর (রা.) ঈদের দ�-�কদিন পূর�বেই তা (ফিতরা) আদায় করে দিতেন। (স�নানে আব� দাউদ : ১৬০৬)

আর নাফে‘ (রাহ.) থেকে অপর �কটি বর�ণনায় �সেছে, আবদ�ল�লাহ ইবনে উমর (রা.) ঈদের দ�ই-তিনদিন পূর�বে ফিতরা উসূলকারীর নিকট সাদাকাত�ল ফিতর পাঠিয়ে দিতেন। (ম�য়াত�তা ইমাম মালেক : ৩১৬)

স�তরাং সাদাকাত�ল ফিতর রমজানের শেষ দিকেই আদায় করা উচিত। �তে গরিব লোকদের জন�য ঈদের সময়ের প�রয়োজন পূরণেও সহায়তা হয়। (আলবাহর�র রায়েক : ২/২৫৫, ফাতাওয়া খানিয়া : ১/২৩২, বাদায়েউস সানায়ে : ২/২০৭, রদ�দ�ল ম�হতার : ২/৩৬৭)

উল�লেখ�য, কোনো কারণে নির�ধারিত সময়ে সাদাকাত�ল ফিতর আদায় না করলে পরবর�তীতে তা আদায় করা আবশ�যক। তাই পরে হলেও তা আদায় করে দিতে হবে। (কিতাব�ল আছল : ২/২০৭, ২১১; ফাতহ�ল কাদির : ২/২৩১; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া :  ৩/৪৫২; রদ�দ�ল ম�হতার : ২/৩৬৮)

সাদাকাত�ল ফিতর যাদেরকে দেওয়া যাবে

জাকাত প�রদানের খাতই সাদাকাত�ল ফিতরেরও খাত। তাই যাদেরকে যাকাত দেওয়া যায়, �মন কাউকেই সাদাকাত�ল ফিতর দিতে হবে। কেউ জাকাত গ�রহণের উপয�ক�ত না হলে তাকে সাদাকাত�ল ফিতর দেওয়া যাবে না। (আদ�দ�রর�ল ম�খতার : ২/৩৬৮)

আত�মীয়স�বজনকে সাদাকাত�ল ফিতর দেওয়া

নিজের পিতামাতা, দাদা-দাদি প�রম�খ ঊর�ধ�বতন �মনিভাবে ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি প�রম�খ অধস�তন আত�মীয়স�বজন গরিব হলেও তাদেরকে সাদাকাত�ল ফিতর দেওয়া যাবে না।  অন�রূপ স�বামী-স�ত�রী �কে অপরকে ফিতরা দিতে পারবে না। তবে �র বাইরে অন�যান�য আত�মীয়স�বজন যেমন, ভাই-বোন, ভাতিজা-ভাগনে, চাচা-মামা, ফ�ফ�-খালা শ�বশ�র-শাশ�ড়ি ইত�যাদি গরিব অসহায় হলে তাদেরকে সাদাকাত�ল ফিতর দেওয়া যাবে। (কিতাব�ল আছল : ২/১৪৮, বাদায়েউস সানায়ে : ২/১৬২, আদ�দ�রর�ল ম�খতার : ২/৩৬৮)

অম�সলিমকে সদকাত�ল ফিতর দেওয়া যাবে?

সদকায়ে ফিতর শ�ধ� গরিব ম�সলিমদের হক। তাই কোনো অম�সলিমকে সদকায়ে ফিতরের টাকা দেওয়া যাবে না। তবে তাদেরকে নফল সদকা দেওয়া জায়েজ �বং �তে সওয়াবও রয়েছে। (ম�সান�নাফে ইবনে আবী শাইবা : ১০৫১২, বাদায়েউস সানায়ে : ২/১৬১, রদ�দ�ল ম�হতার : ২/৩৬৯)

মাসিক আল কাউসার অবলম�বনে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow