আহত ফাইজা জানে না, পরিবারের কেউ আর বে�চে নেই
সৌদি আরবের ওমরাহ হজ শেষে সড়ক দà§�রà§�ঘটনায় আহত লকà§�ষà§�মীপà§�রের রামগঞà§�জের শিশà§� শিকà§�ষারà§�থী ফাইজা আকà§�তার বাড়িতে à¦�সেছে। তবে সে জানে না তার বাবা-মা ও দà§�ই বোন আর বেà¦�চে নেই। সোমবার (২৩ ফেবà§�রà§�য়ারি) দà§�পà§�রে সাংবাদিকদের সঙà§�গে ফাইজার কথা হয়। তবে মানসিকà¦à¦¾à¦¬à§‡ à¦à§‡à¦™à§‡ পড়ায় কাউকে à¦à¦¿à¦¡à¦¿à¦“ করতে দেয়নি পরিবারের লোকজন। ফাইজা সাংবাদিকদের বলে, আমার বাবা-মা ও বোনরা বাড়িতে ফিরবে, আমরা à¦�কসঙà§�গে সবাই ঈদ করব। আমার মà
সৌদি আরবের ওমরাহ হজ শেষে সড়ক দà§�রà§�ঘটনায় আহত লকà§�ষà§�মীপà§�রের রামগঞà§�জের শিশà§� শিকà§�ষারà§�থী ফাইজা আকà§�তার বাড়িতে à¦�সেছে। তবে সে জানে না তার বাবা-মা ও দà§�ই বোন আর বেà¦�চে নেই।Â
সোমবার (২৩ ফেবà§�রà§�য়ারি) দà§�পà§�রে সাংবাদিকদের সঙà§�গে ফাইজার কথা হয়। তবে মানসিকà¦à¦¾à¦¬à§‡ à¦à§‡à¦™à§‡ পড়ায় কাউকে à¦à¦¿à¦¡à¦¿à¦“ করতে দেয়নি পরিবারের লোকজন।
ফাইজা সাংবাদিকদের বলে, আমার বাবা-মা ও বোনরা বাড়িতে ফিরবে, আমরা �কসঙ�গে সবাই ঈদ করব। আমার মতো আমার বাবা-মা ও দ�ই বোন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ�ছে। নত�ন জামা পরে আমি বাবার সঙ�গে ঈদ মেলায় যাব। সঙ�গে আমার দ�ই বোনও থাকবে। ঈদে আমরা অনেক আনন�দ করব।
জানা যায়, রোববার (২২ ফেবà§�রà§�য়ারি) বিকেল ৩টার দিকে ফাইজাকে নিয়ে তার মামা তানà¦à§€à¦° হোসেন দেশের উদà§�দেশà§�যে রওনা দেন। সোমবার à¦à§‹à¦°à§‡ তারা রামগঞà§�জ উপজেলার à¦à¦¾à¦Ÿà¦°à¦¾ ইউনিয়নের নলচরা গà§�রামের বাড়িতে পৌà¦�ছে। ফাইজা ওই গà§�রামের ওশিম উদà§�দিন বেপারী বাড়ির পà§�রয়াত সৌদি পà§�রবাসী মিজানà§�র রহমানের মেজো মেয়ে। আসার পথে ফাইজার কিছà§� à¦à¦¿à¦¡à¦¿à¦“ ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধà§�যম ফেসবà§�কেও ছড়িয়ে পড়ে।
আরও জানা যায়, ফাইজা রামগঞà§�জ à¦à¦¾à¦Ÿà¦°à¦¾ ইউনিয়নের টিউরি সরকারি পà§�রাথমিক বিদà§�যালয়ের তৃতীয় শà§�রেণির ছাতà§�রী। à§§à§« ফেবà§�রà§�য়ারি সৌদিতে সড়ক দà§�রà§�ঘটনায় আহত হয়ে à§« দিন জেদà§�দা শহরের কিংস ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা শেষে মামা তানà¦à§€à¦° হোসেনের সঙà§�গে সে বাড়িতে ফিরেছে।
মামা তানà¦à§€à¦° হোসেন জানান, ফাইজা à¦�খনো জানে না তার বাবা-মা ও দà§�ইবোন মারা গেছে। সে জানে তার বাবা মা হাসপাতালে তার মতো চিকিৎসাধীন রয়েছে। তারা সà§�সà§�থ হয়ে বাড়িতে ফিরবে। সবার সঙà§�গে সে ঈদ করবে।Â
তিনি আরও জানান, নিহতদের মরদেহ �খনো জেদ�দা হাসপাতালের মর�গে রয়েছে। মরদেহ আনার প�রক�রিয়া চলছে।
পà§�রসঙà§�গত, মিজানà§�র রহমান মিজান (৪০) সৌদি পà§�রবাসী ছিলেন। à§© ফেবà§�রà§�য়ারি তার সà§�তà§�রী ও à§© মেয়েকে নিয়ে বাড়ি থেকে সৌদিতে ওমরাহ হজà§�বে যান। ওমরাহ শেষে à§§à§« ফেবà§�রà§�য়ারি বাংলাদেশ সময় রাত ৩টার দিকে জেদà§�দা থেকে সৌদির বাসায় ফেরার পথে সড়ক দà§�রà§�ঘটনায় মিজান, তার সà§�তà§�রী ফারজানা আকà§�তার সà§�মি (৩০), সà§�কà§�ল পড়à§�য়া মেয়ে মেহের আফরোজ (à§§à§©) ও দেড় বছর বয়সি মেয়ে সà§�বহা আকà§�তার à¦�বং গাড়ির ডà§�রাইà¦à¦¾à¦° মো. জিলানী বাবর (৩০) মারা যান। ওই দà§�রà§�ঘটনায় ফাইজা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
Â
What's Your Reaction?