অকালে চুল পাকা কমাতে প্রতিদিন খান এই খাবার
চুল পাকা এখন শুধু বয়স বাড়ার স্বাভাবিক লক্ষণ নয়। অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ঘুমের ঘাটতি ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবের কারণেও কম বয়সে চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। যদিও একদিনে এ সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়, তবে পুষ্টিকর কিছু খাবার নিয়মিত খেলে চুলের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা মিলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু খাবার ভেতর থেকে চুলের পুষ্টি জোগায় এবং অকালে চুল পাকার গতি কমাতে ভূমিকা রাখে। জেনে নিন এমনই কয়েকটি উপকারী খাবার সম্পর্কে- আমলকী চুলের যত্নে আমলকীর উপকারিতা অনেক পুরোনো। এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের গোঁড়া মজবুত করতে এবং অকালপক্বতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। আমলকী কাঁচা খাওয়া যায়, আবার গুঁড়া বা রস হিসেবেও গ্রহণ করা যায়। অনেকে চুলে আমলকীর প্যাক বা তেল ব্যবহার করেও উপকার পান। কালো তিল কালো তিল চুলের স্বাভাবিক রঙ ধরে রাখতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মেলানোসাইটের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, যা চুলে রঙ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণ কালো তিল খেতে পারেন। চাইলে তিলের লাড্ডু, রুটি বা অন্যান্য খাবারের সঙ্গেও এটি যোগ করা যায়। পাশাপাশি
চুল পাকা এখন শুধু বয়স বাড়ার স্বাভাবিক লক্ষণ নয়। অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ঘুমের ঘাটতি ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবের কারণেও কম বয়সে চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। যদিও একদিনে এ সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়, তবে পুষ্টিকর কিছু খাবার নিয়মিত খেলে চুলের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা মিলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু খাবার ভেতর থেকে চুলের পুষ্টি জোগায় এবং অকালে চুল পাকার গতি কমাতে ভূমিকা রাখে। জেনে নিন এমনই কয়েকটি উপকারী খাবার সম্পর্কে-
আমলকী
চুলের যত্নে আমলকীর উপকারিতা অনেক পুরোনো। এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের গোঁড়া মজবুত করতে এবং অকালপক্বতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। আমলকী কাঁচা খাওয়া যায়, আবার গুঁড়া বা রস হিসেবেও গ্রহণ করা যায়। অনেকে চুলে আমলকীর প্যাক বা তেল ব্যবহার করেও উপকার পান।
কালো তিল
কালো তিল চুলের স্বাভাবিক রঙ ধরে রাখতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মেলানোসাইটের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, যা চুলে রঙ তৈরিতে ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণ কালো তিল খেতে পারেন। চাইলে তিলের লাড্ডু, রুটি বা অন্যান্য খাবারের সঙ্গেও এটি যোগ করা যায়। পাশাপাশি তিলের তেল মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে তা রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে ও চুলের পুষ্টি জোগাতে সহায়তা করতে পারে।
কালো কিশমিশ
আয়রন ও ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস হিসেবে কালো কিশমিশ বেশ উপকারী। এই পুষ্টিগুলো চুলের বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক রঙ বজায় রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন রাতে কয়েকটি কালো কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
কারি পাতা
চুলের যত্নে কারি পাতাও বেশ জনপ্রিয় একটি উপাদান। এতে ভিটামিন এ, বি, সি ও বি১২ ছাড়াও আয়রন ও ক্যালসিয়াম রয়েছে, যা চুল পড়া কমাতে এবং দ্রুত চুল পাকা বিলম্বিত করতে সহায়তা করতে পারে। রান্নায় নিয়মিত কারি পাতা ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া কয়েকটি পাতা পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি পান করলেও উপকার মিলতে পারে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া
জেএস/
What's Your Reaction?