অগোছালো ঘরকে পরিপাটি রাখার সহজ উপায়

পরিচ্ছন্ন, গোছানো একটি ঘরে ঢুকলেই মনটা যেন হালকা হয়ে যায়। সুন্দরভাবে সাজানো বিছানা, পরিপাটি টেবিল আর প্রয়োজনীয় জিনিস নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা, এমন পরিবেশ দেখলে মানসিক প্রশান্তিও এনে দেয়। অন্যদিকে বিছানার ওপর কুঁচকানো চাদর, চেয়ারে জামাকাপড়ের স্তূপ, টেবিলজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কাপ-প্লেট বা বইপত্র মুহূর্তেই ঘরকে অগোছালো ও ক্লান্তিকর করে তোলে। অনেকেই মনে করেন, ঘর গোছানো খুব সময়সাপেক্ষ কাজ। তাই কাজটি বারবার পিছিয়ে দেন। কিন্তু বাস্তবে প্রতিদিনের কয়েকটি ছোট অভ্যাস বদলে ফেলতে পারলেই ঘর পরিষ্কার রাখা অনেক সহজ হয়ে যায়। আলাদা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়ও ব্যয় করতে হয় না। জামাকাপড় জায়গামতো গুছিয়ে রাখুন চেয়ারে জামাকাপড় না জমানো অগোছালো ঘরের সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্যগুলোর একটি হলো চেয়ারভর্তি জামাকাপড়। অফিস বা বাইরে থেকে ফিরে পোশাক খুলে চেয়ারে ফেলে রাখার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। কিন্তু এই ছোট অভ্যাসই ঘরকে মুহূর্তে নোংরা দেখাতে পারে। যে পোশাক ধোয়ার প্রয়োজন, সেটি সঙ্গে সঙ্গে লন্ড্রি বাস্কেটে বা নির্দিষ্ট ঝুড়িতে রাখুন। আর যেগুলো আবার ব্যবহার করা যাবে, সেগুলো সুন্দর করে ভাঁজ করে আলমারিতে রাখুন বা হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে দিন।

অগোছালো ঘরকে পরিপাটি রাখার সহজ উপায়

পরিচ্ছন্ন, গোছানো একটি ঘরে ঢুকলেই মনটা যেন হালকা হয়ে যায়। সুন্দরভাবে সাজানো বিছানা, পরিপাটি টেবিল আর প্রয়োজনীয় জিনিস নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা, এমন পরিবেশ দেখলে মানসিক প্রশান্তিও এনে দেয়। অন্যদিকে বিছানার ওপর কুঁচকানো চাদর, চেয়ারে জামাকাপড়ের স্তূপ, টেবিলজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কাপ-প্লেট বা বইপত্র মুহূর্তেই ঘরকে অগোছালো ও ক্লান্তিকর করে তোলে।

অনেকেই মনে করেন, ঘর গোছানো খুব সময়সাপেক্ষ কাজ। তাই কাজটি বারবার পিছিয়ে দেন। কিন্তু বাস্তবে প্রতিদিনের কয়েকটি ছোট অভ্যাস বদলে ফেলতে পারলেই ঘর পরিষ্কার রাখা অনেক সহজ হয়ে যায়। আলাদা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়ও ব্যয় করতে হয় না।

jagoজামাকাপড় জায়গামতো গুছিয়ে রাখুন

চেয়ারে জামাকাপড় না জমানো

অগোছালো ঘরের সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্যগুলোর একটি হলো চেয়ারভর্তি জামাকাপড়। অফিস বা বাইরে থেকে ফিরে পোশাক খুলে চেয়ারে ফেলে রাখার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। কিন্তু এই ছোট অভ্যাসই ঘরকে মুহূর্তে নোংরা দেখাতে পারে। যে পোশাক ধোয়ার প্রয়োজন, সেটি সঙ্গে সঙ্গে লন্ড্রি বাস্কেটে বা নির্দিষ্ট ঝুড়িতে রাখুন। আর যেগুলো আবার ব্যবহার করা যাবে, সেগুলো সুন্দর করে ভাঁজ করে আলমারিতে রাখুন বা হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে দিন।

খোলা হ্যাঙ্গার বা ওপেন ওয়ার্ডরোব ব্যবহার করুন

জামাকাপড় গোছানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হতে পারে ওপেন ওয়ার্ডরোব বা দেয়ালে লাগানো হ্যাঙ্গার। দরজার পেছনে কিংবা খালি দেয়ালের একপাশে কয়েকটি হুক বা হ্যাঙ্গার লাগিয়ে নিলেই প্রতিদিনের ব্যবহারের পোশাক সহজেই ঝুলিয়ে রাখা যায়। এতে পোশাক খুঁজে পেতেও সুবিধা হয়, আবার ঘরও পরিষ্কার ও পরিপাটি দেখায়।

jagoপ্রতিদিন অল্প সময় দিলেই ঘর থাকবে ঝকঝকে

সকালে বিছানা গুছানো

ঘুম থেকে ওঠার পর মাত্র পাঁচ মিনিট সময় নিয়ে বিছানার চাদর টানটান করে বিছিয়ে দিন। বালিশ ঠিকঠাক সাজিয়ে রাখুন। এতটুকু কাজেই পুরো ঘরের চেহারা বদলে যায়। দিনের শুরুতে গোছানো বিছানা দেখলে মনও ভালো থাকে, আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময়ও নতুন করে বিছানা গোছানোর ঝামেলা থাকে না।

ছোটখাটো জিনিসের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা রাখা

চাবি, চার্জার, কলম, রিমোট, প্রসাধনী বা অন্যান্য ছোটখাটো জিনিস টেবিলজুড়ে ছড়িয়ে থাকলে ঘর দ্রুত এলোমেলো হয়ে যায়। এসব জিনিস রাখার জন্য একটি ছোট বাক্স, ঝুড়ি বা ঢাকনাযুক্ত ট্রে ব্যবহার করতে পারেন। প্রয়োজনের সময় সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে, আবার ঘরও অগোছালো লাগবে না।

jagoছোটখাটো জিনিসেরও নির্দিষ্ট জায়গা রাখুন

ব্যবহারের পরই জিনিস জায়গামতো রাখা

চা পান করার পর কাপ টেবিলে ফেলে রাখা, পানির বোতল ঘরের বিভিন্ন জায়গায় রেখে দেওয়া কিংবা খাবারের প্লেট বিছানার পাশে জমিয়ে রাখার অভ্যাস অনেকেরই আছে। এই অভ্যাস বদলানোই ঘর পরিষ্কার রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়। যে জিনিস যেখানে থাকার কথা, ব্যবহার শেষে সেটি সেখানেই রেখে দিন। এতে পরে একসঙ্গে অনেক কাজ করার চাপও কমে যাবে।

প্রতিদিন অল্প সময় পরিষ্কার করা

অনেকেই ভাবেন, সপ্তাহে একদিন পুরো ঘর পরিষ্কার করলেই যথেষ্ট। কিন্তু প্রতিদিন মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় দিলে ঘর কখনোই বেশি অগোছালো হয়ে ওঠে না। টেবিল মুছে নেওয়া, অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে রাখা কিংবা মেঝেতে পড়ে থাকা কাপড় তুলে রাখার মতো ছোট ছোট কাজ প্রতিদিন করলেই সপ্তাহ শেষে আলাদা করে অনেক পরিশ্রম করতে হবে না।

অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমিয়ে না রাখা

যে জিনিস অনেকদিন ব্যবহার করছেন না, সেগুলো ঘরে জমিয়ে রাখলে জায়গা কমে যায় এবং অগোছালোভাব সৃষ্টি হয়। তাই নিয়মিত আলমারি, ড্রয়ার বা তাক গুছিয়ে অপ্রয়োজনীয় জিনিস আলাদা করে ফেলুন। প্রয়োজনে দান করুন বা রিসাইকেল করুন। কম জিনিস মানেই সহজে গোছানো ঘর।

ছোট অভ্যাসেই বড় পরিবর্তন 

পরিচ্ছন্ন ঘর শুধু দেখতে সুন্দর লাগে না, এটি মানসিক চাপও কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, গোছানো পরিবেশে কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা উন্নত হয় এবং মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।

তাই ঘর পরিষ্কার রাখাকে কঠিন কাজ না ভেবে প্রতিদিনের অভ্যাসের অংশ করে তুলুন। মাত্র কয়েকটি ছোট পরিবর্তনই আপনার অন্দরমহলকে আরও পরিপাটি, স্বস্তিদায়ক ও প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে।

সূত্র: হাউজ অ্যান্ড গার্ডেন, দ্য স্প্রুস

এসএকেওয়াই

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow