অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত লড়াইয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। সেখানে দুই গোল করে জয় নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তারা। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বার এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসে ষষ্ঠবারের মতো শেষ চারে উঠল আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ১০ মিনিটেই লিওনেল মেসির নেওয়া কর্নার থেকে দারুণ হেডে দলকে এগিয়ে দেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। পিছিয়ে পড়ার পরও দমে যায়নি সুইজারল্যান্ড। সমানতালে আক্রমণ চালিয়ে কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি তারা। বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সুইসরা। ৬৭ মিনিটে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান ড্যান এনদোয়ে। গোলের পর ম্যাচে উত্তেজনা আরও বাড়ে। ৭২ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলো। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরও দৃঢ় রক্ষণে আর্জেন্টিনার আক্রমণ প্রতিহত করে তারা। নির
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। সেখানে দুই গোল করে জয় নিশ্চিত করে আলবিসেলেস্তারা। এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বার এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসে ষষ্ঠবারের মতো শেষ চারে উঠল আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ১০ মিনিটেই লিওনেল মেসির নেওয়া কর্নার থেকে দারুণ হেডে দলকে এগিয়ে দেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। পিছিয়ে পড়ার পরও দমে যায়নি সুইজারল্যান্ড। সমানতালে আক্রমণ চালিয়ে কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি তারা।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সুইসরা। ৬৭ মিনিটে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান ড্যান এনদোয়ে। গোলের পর ম্যাচে উত্তেজনা আরও বাড়ে।
৭২ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলো। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরও দৃঢ় রক্ষণে আর্জেন্টিনার আক্রমণ প্রতিহত করে তারা। নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে কোনো দল গোল করতে না পারলেও ১১৪তম মিনিটে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হুলিয়ান আলভারেজ। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া দুর্দান্ত শটে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে সুইজারল্যান্ড। তবে অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন লাউতারো মার্তিনেজ। তার গোলে ৩-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।
এই জয়ের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বার এবং ইতিহাসে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল আলবিসেলেস্তারা। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ১২ বার সেমিফাইনাল খেলেছে জার্মানি। এরপর রয়েছে ব্রাজিল ও ফ্রান্স (৮ বার) এবং ইতালি (৭ বার)। এবার শেষ চারে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা, যেখানে আরেকটি হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।
What's Your Reaction?