অনন্যা পান্ডে প্রমাণ করলেন শাড়ি কখনো ফ্যাশনে পুরোনো হয় না

ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাককে নিজের মতো করে স্টাইল করতে অনন্যা পান্ডে বরাবরই বেশ প্রশংসা পেযেছেন। কখনো আধুনিক সিলুয়েট, কখনো একেবারে চিরায়ত ভারতীয় সাজে নিজের ফ্যাশন সেন্সের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন। সম্প্রতি মারাঠি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডসে তার পৈঠানি শাড়ির সাজেও দেখা গেল সেই একই মিশেল। ঐতিহ্যবাহী বুনন, উজ্জ্বল রং, নজরকাড়া সোনার গয়না এবং সমকালীন ব্লাউজ-সব মিলিয়ে তার লুকটি হয়ে উঠেছে রাজকীয় অথচ আধুনিক। অনন্যার পরনে ছিল ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার তৈরি নীল রঙের পৈঠানি শাড়ি। শাড়ির গভীর নীল বেসের সঙ্গে নিওন গোলাপি পাড় তৈরি করেছে দারুণ রঙের বৈপরীত্য। এর সঙ্গে রুপালি ব্রোকেডের সূক্ষ্ম কাজ পোশাকটিতে যোগ করেছে আরও আভিজাত্য। আঁচলের দিকে থাকা প্রকৃতি-অনুপ্রাণিত নকশাগুলো শাড়ির ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্যকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। শাড়িটির বিশেষত্ব শুধু রঙে নয়, বুনন ও নকশার মধ্যেও। নীল, গোলাপি ও রুপালির সমন্বয় একদিকে যেমন নজর কেড়েছে, তেমনই পৈঠানি শাড়ির ঐতিহ্যবাহী চরিত্রটিও অক্ষুণ্ণ রেখেছে। অনন্যা শাড়িটি পরেছিলেন একেবারে পরিচিত ভারতীয় ড্রেপিং স্টাইলে। সামনের কুঁচিগুলো ছিল পরিপাটি, আর আঁচলটি কাঁধের ওপর সুন্দর

অনন্যা পান্ডে প্রমাণ করলেন শাড়ি কখনো ফ্যাশনে পুরোনো হয় না

ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাককে নিজের মতো করে স্টাইল করতে অনন্যা পান্ডে বরাবরই বেশ প্রশংসা পেযেছেন। কখনো আধুনিক সিলুয়েট, কখনো একেবারে চিরায়ত ভারতীয় সাজে নিজের ফ্যাশন সেন্সের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন। সম্প্রতি মারাঠি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডসে তার পৈঠানি শাড়ির সাজেও দেখা গেল সেই একই মিশেল। ঐতিহ্যবাহী বুনন, উজ্জ্বল রং, নজরকাড়া সোনার গয়না এবং সমকালীন ব্লাউজ-সব মিলিয়ে তার লুকটি হয়ে উঠেছে রাজকীয় অথচ আধুনিক।

jago

অনন্যার পরনে ছিল ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার তৈরি নীল রঙের পৈঠানি শাড়ি। শাড়ির গভীর নীল বেসের সঙ্গে নিওন গোলাপি পাড় তৈরি করেছে দারুণ রঙের বৈপরীত্য। এর সঙ্গে রুপালি ব্রোকেডের সূক্ষ্ম কাজ পোশাকটিতে যোগ করেছে আরও আভিজাত্য। আঁচলের দিকে থাকা প্রকৃতি-অনুপ্রাণিত নকশাগুলো শাড়ির ঐতিহ্যবাহী সৌন্দর্যকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

শাড়িটির বিশেষত্ব শুধু রঙে নয়, বুনন ও নকশার মধ্যেও। নীল, গোলাপি ও রুপালির সমন্বয় একদিকে যেমন নজর কেড়েছে, তেমনই পৈঠানি শাড়ির ঐতিহ্যবাহী চরিত্রটিও অক্ষুণ্ণ রেখেছে।

jago

অনন্যা শাড়িটি পরেছিলেন একেবারে পরিচিত ভারতীয় ড্রেপিং স্টাইলে। সামনের কুঁচিগুলো ছিল পরিপাটি, আর আঁচলটি কাঁধের ওপর সুন্দরভাবে পিন করা। তবে আঁচলটিকে স্বাভাবিকভাবে শরীর বেয়ে মেঝের দিকে নামিয়ে দেওয়ায় পুরো সাজে এসেছে একটি সাবলীল, নাটকীয় আবহ। ফলে শাড়ির নকশা ও কারুকাজ সহজেই নজরে এসেছে।

 jago

ঐতিহ্যবাহী শাড়ির সঙ্গে অনন্যার ব্লাউজ ছিল একেবারেই সমকালীন। স্ট্র্যাপলেস টিউব ব্লাউজে ছিল গভীর সুইটহার্ট নেকলাইন এবং পাড়জুড়ে ঝলমলে কারুকাজ। শাড়ির ঐতিহ্যবাহী আবহের সঙ্গে এই আধুনিক ব্লাউজের বৈপরীত্যই সাজটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

jago

এই স্টাইলিংয়ের আরেকটি সুবিধা হলো, গলার অংশটি অপেক্ষাকৃত খোলা থাকায় ভারী নেকলেসটিও সহজেই নজরে এসেছে। অর্থাৎ পোশাকের প্রতিটি উপাদানকে আলাদা করে তুলে ধরার বদলে অনন্যা পুরো লুকটিকে ভারসাম্যের সঙ্গে সাজিয়েছেন।

শাড়ির সঙ্গে অভিনেত্রী বেছে নিয়েছিলেন ভারী সোনার গয়না। গলায় ছিল কুন্দন ও হীরার কাজ করা স্টেটমেন্ট চোকার। এর সঙ্গে হাতে একাধিক সোনার চুড়ি এবং আঙুলে স্টেটমেন্ট রিং সাজটিকে আরও রাজকীয় করে তুলেছে।

jago

নীল শাড়ির সঙ্গে সোনার গয়নার এই মিশেল ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী ফ্যাশনের চেনা সৌন্দর্যকেই নতুনভাবে সামনে এনেছে। গয়নার ভারী উপস্থিতি থাকলেও পোশাকের নকশার সঙ্গে তা প্রতিযোগিতা করেনি, বরং পুরো লুককে পরিপূর্ণ করেছে।

চুলের সাজেও ছিল ঐতিহ্যের ছোঁয়া। মাঝখানে সিঁথি করে চুল টেনে নেওয়া হয়েছিল একটি মসৃণ খোঁপায়। খোঁপাজুড়ে সাদা ফুলের সাজ পুরো লুকে এনে দিয়েছে বিয়েবাড়ি বা রাজকীয় অনুষ্ঠানের মতো এক কোমল আবহ।

jago

মেকআপে অনন্যা রেখেছিলেন পরিমিত গ্ল্যামার। সতেজ ডিউ বেস, গোলাপি ব্লাশ, মভ টোনের ঠোঁট, হালকা উইংড আইলাইনার এবং মাস্কারায় চোখের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। সঙ্গে ছোট কালো টিপ তাঁর ঐতিহ্যবাহী সাজকে আরও সম্পূর্ণ করেছে।

অনন্যা পান্ডের এই লুক প্রমাণ করে, ঐতিহ্যবাহী শাড়ি পরেও আধুনিক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট তৈরি করা যায়। পৈঠানির রাজকীয় বুনন, সমকালীন টিউব ব্লাউজ, সোনার গয়না ও ফুলেল খোঁপার সমন্বয়ে তাঁর সাজে ধরা দিয়েছে ভারতীয় ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক সুন্দর ভারসাম্য।

সূত্র: এনডিটিভি

এসএকেওয়াই

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow