অনলাইন প্রতারণা: ৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

অনলাইন প্রতারণা ও অর্থপাচার অপরাধের তদন্তের অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত ৪৪৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার (৯ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। এর আগে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা এই ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার জন্য আদালতে আবেদন দাখিল করেছিলেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে আদালতের এই আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিয়াজ হোসেন বলেন, অনুসন্ধানে জানা গেছে সিটি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা শেখ মো. ওয়াজিহ উদ্দিন অনলাইনে প্রতারণার শিকার হয়ে পাঁচটি হিসাবে প্রায় ৫১ লাখ ১২ হাজার টাকা জমা দিয়েছিলেন। ঘটনার সূত্র ধরে তদন্তে দেখা যায়, এসএম জুনাইদুল হক, ওমর হীত হিটলু, মেহেদী হাসান তালুকদারসহ আরও ৬১ জন ব্যক্তি এবং তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকে মোট ৫৯৫টি হিসাব পরিচালিত হচ্ছে। এই হিসাবগুলোতে মোট ১ হাজার ২১২ কোটি চার হাজার টাকা জমা এবং ১ হাজার ২০৭ কোটি ৬ হাজার টাকা উত্তোল

অনলাইন প্রতারণা: ৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

অনলাইন প্রতারণা ও অর্থপাচার অপরাধের তদন্তের অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত ৪৪৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার (৯ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

এর আগে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহা এই ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার জন্য আদালতে আবেদন দাখিল করেছিলেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে আদালতের এই আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিয়াজ হোসেন বলেন, অনুসন্ধানে জানা গেছে সিটি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা শেখ মো. ওয়াজিহ উদ্দিন অনলাইনে প্রতারণার শিকার হয়ে পাঁচটি হিসাবে প্রায় ৫১ লাখ ১২ হাজার টাকা জমা দিয়েছিলেন। ঘটনার সূত্র ধরে তদন্তে দেখা যায়, এসএম জুনাইদুল হক, ওমর হীত হিটলু, মেহেদী হাসান তালুকদারসহ আরও ৬১ জন ব্যক্তি এবং তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকে মোট ৫৯৫টি হিসাব পরিচালিত হচ্ছে। এই হিসাবগুলোতে মোট ১ হাজার ২১২ কোটি চার হাজার টাকা জমা এবং ১ হাজার ২০৭ কোটি ৬ হাজার টাকা উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

লেনদেন পর্যালোচনায় সিআইডি দেখেছে, এই বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন মূলত অনলাইন প্রতারণা, অনলাইন গেমিং বা বেটিং, হুন্ডি, ডিজিটাল কারেন্সি বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ক্রয়-বিক্রয় এবং শুল্ক ফাঁকির মতো অপরাধের সাথে সরাসরি যুক্ত। পুলিশ তাদের আবেদনে উল্লেখ করেছেন, অপরাধলব্ধ আয় যেন অন্য জায়গায় সরিয়ে ফেলা না যায়, সেই কারণে প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৪৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।

এমডিএএ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow