অনিবন্ধিত সেমাই-জেল তৈরির কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা

অনিবন্ধিতভাবে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সংরক্ষণের দায়ে নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লার ‘আমিন স্কয়ার বিডি’ নামের এক কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (৯ মার্চ) ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। খন্দকার শমিত রাজা বলেন, কারখানাটিতে বিএসটিআই লাইসেন্স ছাড়া সেমাই, আর্টিফিশিয়াল ড্রিংক ও এডিবল জেলসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও মোড়কজাত করা হচ্ছিল। এছাড়া উৎপাদন ও প্যাকেটজাতকরণের সময় স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার না করেই খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছিল। তিনি জানান, খাদ্যপণ্য অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মেঝেতে সংরক্ষণ, পোড়া তেলের ব্যবহার এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য মজুদের প্রমাণও পাওয়া যায়। এসব অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইনে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং তা আদায় করা হয়। অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুরাইয়া সাইদুন নাহার, র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. শামসুর রহমান, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. শাহজাহান হালদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেই

অনিবন্ধিত সেমাই-জেল তৈরির কারখানাকে লাখ টাকা জরিমানা

অনিবন্ধিতভাবে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সংরক্ষণের দায়ে নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লার ‘আমিন স্কয়ার বিডি’ নামের এক কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার (৯ মার্চ) ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার শমিত রাজার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

খন্দকার শমিত রাজা বলেন, কারখানাটিতে বিএসটিআই লাইসেন্স ছাড়া সেমাই, আর্টিফিশিয়াল ড্রিংক ও এডিবল জেলসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও মোড়কজাত করা হচ্ছিল। এছাড়া উৎপাদন ও প্যাকেটজাতকরণের সময় স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার না করেই খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছিল।

তিনি জানান, খাদ্যপণ্য অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মেঝেতে সংরক্ষণ, পোড়া তেলের ব্যবহার এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য মজুদের প্রমাণও পাওয়া যায়। এসব অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইনে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে এক লাখ টাকা জরিমানা এবং তা আদায় করা হয়।

অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুরাইয়া সাইদুন নাহার, র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. শামসুর রহমান, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. শাহজাহান হালদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেই সঙ্গে অভিযানের সময় সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে র্যাব-১১ ও জেলা পুলিশের দুটি টিম।

মোবাশ্বির শ্রাবণ/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow