অনিয়মের প্রতিবাদ করায় চাকরিচ্যুতির অভিযোগ, রাজুতে অনশনে দুই কর্মকর্তা

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় চাকরিচ্যুত করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে আমরণ অনশনে বসেছেন প্রতিষ্ঠানটির ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির দুই কর্মকর্তা। অনশনে বসা দুই কর্মকর্তা হলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সাবেক সহ-পরিচালক তৌকির আহাম্মেদ ও কর্মকর্তা মো. এরফানুল হক। গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই কর্মসূচি শুরু করেন তারা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) তৃতীয় দিনের মতো তাদের কর্মসূচি চলতে দেখা যায়। তাদের অভিযোগ, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় সম্প্রতি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির প্রায় ১৮০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৬৫ থেকে ৭০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এছাড়া গত মাসে নতুন করে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন। অনশনরত তৌকির আহাম্মেদ বলেন, আমি ২০ বছর ধরে এখানে চাকরি করেছি। গত বছর অন্যায়ভাবে আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ হোক, প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে চলুক। কিন্তু তার ফল হিসেবে আজ আমাদের ৬৫-৭০ জন মানুষের চাকরি নেই। চাকরি হারিয়ে আম

অনিয়মের প্রতিবাদ করায় চাকরিচ্যুতির অভিযোগ, রাজুতে অনশনে দুই কর্মকর্তা

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় চাকরিচ্যুত করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে আমরণ অনশনে বসেছেন প্রতিষ্ঠানটির ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির দুই কর্মকর্তা।

অনশনে বসা দুই কর্মকর্তা হলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সাবেক সহ-পরিচালক তৌকির আহাম্মেদ ও কর্মকর্তা মো. এরফানুল হক। গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই কর্মসূচি শুরু করেন তারা। সোমবার (২৭ এপ্রিল) তৃতীয় দিনের মতো তাদের কর্মসূচি চলতে দেখা যায়।

তাদের অভিযোগ, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় সম্প্রতি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির প্রায় ১৮০ কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৬৫ থেকে ৭০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এছাড়া গত মাসে নতুন করে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।

অনশনরত তৌকির আহাম্মেদ বলেন, আমি ২০ বছর ধরে এখানে চাকরি করেছি। গত বছর অন্যায়ভাবে আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ হোক, প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে চলুক। কিন্তু তার ফল হিসেবে আজ আমাদের ৬৫-৭০ জন মানুষের চাকরি নেই। চাকরি হারিয়ে আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি।

অন্যদিকে, মো. এরফানুল হক বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো সমাধান না দেওয়া পর্যন্ত আমরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাব।

এফএআর/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow