অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হত্যার ২৬ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

দীর্ঘ ২৬ বছর ঝুলে থাকার পর খিলগাঁওয়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হত্যার মামলায় চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১৩-এর বিচারক মো. জাহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ। সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আকলিমা বেগমকে হত্যার ঘটনায় দায়ী সাব্যস্ত করে আবদুল জলিল হাওলাদারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। তবে রায় ঘোষণার সময় জলিল আদালতে উপস্থিত ছিলেন না; তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০০ সালের ২৬ মে খিলগাঁও এলাকার একটি বাসা থেকে আকলিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে সময় তিনি ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এ ঘটনায় তার দুলাভাই মো. মিন্টু গাজী খিলগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার আগের রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ হয়। ওই রাতে জি এম বাবুল নামের এক ব্যক্তি রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত জল

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হত্যার ২৬ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

দীর্ঘ ২৬ বছর ঝুলে থাকার পর খিলগাঁওয়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী হত্যার মামলায় চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১৩-এর বিচারক মো. জাহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ।

সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আকলিমা বেগমকে হত্যার ঘটনায় দায়ী সাব্যস্ত করে আবদুল জলিল হাওলাদারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। তবে রায় ঘোষণার সময় জলিল আদালতে উপস্থিত ছিলেন না; তিনি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০০ সালের ২৬ মে খিলগাঁও এলাকার একটি বাসা থেকে আকলিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে সময় তিনি ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এ ঘটনায় তার দুলাভাই মো. মিন্টু গাজী খিলগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার আগের রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ হয়। ওই রাতে জি এম বাবুল নামের এক ব্যক্তি রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত জলিলকে রাস্তায় অস্থিরভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। ঘটনার পর থেকেই জলিল আত্মগোপনে চলে যান।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, তদন্ত শেষে ২০০১ সালের ১৪ জুন পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। বিচার চলাকালে আদালত ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় দেন।

এমডিএএ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow