অবৈধ কয়লার চুল্লীতে পুড়ছে শত শত মন গাছ, হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য

বরগুনা সদর উপজেলায় অবাধে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কয়লা। নির্বিচারে পুড়ছে শত শত মন বনজ ও ফলজ গাছ। এতে ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাসে হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্যও। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে বন্ধ করা হোক এসব অবৈধ কয়লার চুল্লী।বরগুনা সদর উপজেলার নলটোনা ইউনিয়নের আজগরকাঠি গ্রামে বিষখালী নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে সারিবদ্ধ অবৈধ কয়লা উৎপাদন চুল্লী। প্রতিদিন এসব চুল্লীতে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে কয়লা। বনজ ও ফলজ গাছ নির্বিচারে কাটার কারণে একদিকে কমছে বনাঞ্চল, অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিজমি। পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব চুল্লীর কোনো প্রশাসনিক অনুমোদন নেই। জনবসতি এলাকায় গড়ে ওঠা এসব চুল্লীর বিষাক্ত ধোঁয়ায় অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালাপোড়া, ত্বকের রোগসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরা। যদিও অবৈধ চুল্লী মালিকরা বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে কয়লা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (বরগুনা) হায়াত মাহমুদ রকিব জানিয়েছেন, দ্রুতই এসব অবৈধ চুল্লী বন্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন তারা।অবৈধ এসব চুল্লী বন্ধ

অবৈধ কয়লার চুল্লীতে পুড়ছে শত শত মন গাছ, হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য

বরগুনা সদর উপজেলায় অবাধে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কয়লা। নির্বিচারে পুড়ছে শত শত মন বনজ ও ফলজ গাছ। এতে ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাসে হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্যও। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে বন্ধ করা হোক এসব অবৈধ কয়লার চুল্লী।

বরগুনা সদর উপজেলার নলটোনা ইউনিয়নের আজগরকাঠি গ্রামে বিষখালী নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে সারিবদ্ধ অবৈধ কয়লা উৎপাদন চুল্লী। প্রতিদিন এসব চুল্লীতে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে কয়লা। বনজ ও ফলজ গাছ নির্বিচারে কাটার কারণে একদিকে কমছে বনাঞ্চল, অপরদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষিজমি। পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব চুল্লীর কোনো প্রশাসনিক অনুমোদন নেই। জনবসতি এলাকায় গড়ে ওঠা এসব চুল্লীর বিষাক্ত ধোঁয়ায় অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালাপোড়া, ত্বকের রোগসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন নারী, শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরা। যদিও অবৈধ চুল্লী মালিকরা বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে কয়লা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (বরগুনা) হায়াত মাহমুদ রকিব জানিয়েছেন, দ্রুতই এসব অবৈধ চুল্লী বন্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন তারা।

অবৈধ এসব চুল্লী বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিবেশ সংকট আরও গভীর হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow