অবৈধ রং ব্যবহার করে আইসক্রিম উৎপাদন, জরিমানা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় লাইসেন্স ছাড়াই আইসক্রিম উৎপাদন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহারের দায়ে একটি আইসক্রিম কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় লাইসেন্স না নেওয়া পর্যন্ত কারখানাটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (৩ মে) সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলার হাউসপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান সূত্রে জানা যায়, অননুমোদিত রং ও ফ্লেভার ব্যবহার এবং লাইসেন্স ছাড়াই আইসক্রিম উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণনের দায়ে মো. সাজেদুর রহমানের মালিকানাধীন ‘লোটাস সুপার আইসক্রিম’ কারখানাকে এ জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে কারখানার কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় কারখানা থেকে সাতটি ফ্রিজ ভর্তি অননুমোদিত রং ও ফ্লেভারযুক্ত আইসক্রিম জব্দ করে সেগুলো জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। এ সময় সহযোগিতা করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি দল। হুসাইন মালিক/কেএইচকে/জেআইএম

অবৈধ রং ব্যবহার করে আইসক্রিম উৎপাদন, জরিমানা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় লাইসেন্স ছাড়াই আইসক্রিম উৎপাদন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহারের দায়ে একটি আইসক্রিম কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় লাইসেন্স না নেওয়া পর্যন্ত কারখানাটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩ মে) সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত উপজেলার হাউসপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অবৈধ রং ব্যবহার করে আইসক্রিম উৎপাদন, জরিমানা

অভিযান সূত্রে জানা যায়, অননুমোদিত রং ও ফ্লেভার ব্যবহার এবং লাইসেন্স ছাড়াই আইসক্রিম উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিপণনের দায়ে মো. সাজেদুর রহমানের মালিকানাধীন ‘লোটাস সুপার আইসক্রিম’ কারখানাকে এ জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে কারখানার কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় কারখানা থেকে সাতটি ফ্রিজ ভর্তি অননুমোদিত রং ও ফ্লেভারযুক্ত আইসক্রিম জব্দ করে সেগুলো জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। এ সময় সহযোগিতা করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি দল।

হুসাইন মালিক/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow