অবৈধভাবে উপার্জিত টাকা দান করলে সওয়াব হবে?

প্রশ্ন: অবৈধভাবে উপার্জিত টাকা দান করলে কি সওয়াব হবে? উত্তর: দান-সদকা করা, আল্লাহর পথে খরচ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। কোরআনে আল্লাহ তার সন্তুষ্টির জন্য সদকাকারীদের, তার পথে খরচকারীদের তার সন্তুষ্টি, সওয়াব ও জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা আল্লাহর রাস্তায় তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তারপর তারা যা ব্যয় করেছে, তার পেছনে খোঁটা দেয় না এবং কোনো কষ্টও দেয় না, তাদের জন্য তাদের রবের কাছে প্রতিদান রয়েছে এবং তাদের কোনো ভয় নেই, আর তারা চিন্তিতও হবে না। (সুরা বাকারা: ২৬২) আরেক আয়াতে মানুষের দান-সদকার প্রতিদান সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, যারা আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মত, যা উৎপন্ন করল সাতটি শীষ, প্রতিটি শীষে রয়েছে একশত দানা। আর আল্লাহ যাকে চান তার জন্য বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। (সুরা বাকারা: ২৬১) তবে এ সওয়াব লাভের জন্য দান-সদকা হালাল সম্পদ থেকে হওয়া জরুরি। আল্লাহ পবিত্র তিনি শুধু পবিত্র বা হালাল সম্পদ থেকে কৃত দানিই গ্রহণ করেন। হালাল সম্পদ থেকে অল্প দান করলেও আল্লাহ তা বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন।

অবৈধভাবে উপার্জিত টাকা দান করলে সওয়াব হবে?

প্রশ্ন: অবৈধভাবে উপার্জিত টাকা দান করলে কি সওয়াব হবে?

উত্তর: দান-সদকা করা, আল্লাহর পথে খরচ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। কোরআনে আল্লাহ তার সন্তুষ্টির জন্য সদকাকারীদের, তার পথে খরচকারীদের তার সন্তুষ্টি, সওয়াব ও জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা আল্লাহর রাস্তায় তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তারপর তারা যা ব্যয় করেছে, তার পেছনে খোঁটা দেয় না এবং কোনো কষ্টও দেয় না, তাদের জন্য তাদের রবের কাছে প্রতিদান রয়েছে এবং তাদের কোনো ভয় নেই, আর তারা চিন্তিতও হবে না। (সুরা বাকারা: ২৬২)

আরেক আয়াতে মানুষের দান-সদকার প্রতিদান সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, যারা আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মত, যা উৎপন্ন করল সাতটি শীষ, প্রতিটি শীষে রয়েছে একশত দানা। আর আল্লাহ যাকে চান তার জন্য বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। (সুরা বাকারা: ২৬১)

তবে এ সওয়াব লাভের জন্য দান-সদকা হালাল সম্পদ থেকে হওয়া জরুরি। আল্লাহ পবিত্র তিনি শুধু পবিত্র বা হালাল সম্পদ থেকে কৃত দানিই গ্রহণ করেন। হালাল সম্পদ থেকে অল্প দান করলেও আল্লাহ তা বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন। আবু হোরয়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ শুধু হালাল সম্পদের দানই কবুল করেন। কোনো ব্যাক্তি হালাল সম্পদ থেকে দান করলে করলে দয়াময় আল্লাহ ডান হাতে তা গ্রহণ করেন। তা একটি খেজুর হলেও দয়াময়ের হাতে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এক পর্যায়ে পাহাড়ের চেয়েও বড় হয়ে যায়। যেভাবে তোমরা নিজেদের ঘোড়ার বাচ্চা ও উটের শাবক পালন কর। (সহিহ মুসলিম)

হারাম সম্পদ দান করলে তা আল্লাহর কাছে কবুল হয় না এবং দানকারীর কোনো উপকারে আসে না। বরং তা তার গুনাহই বৃদ্ধি করে। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে হারাম সম্পদ উপার্জন করবে তারপর ওই সম্পদ দিয়ে দান করে বা আত্মীয়দের হক আদায় করে, তা তার পাপ গণ্য হয়। (তাবরানি)

কেউ যদি হারাম পথ থেকে ফিরে আসতে চায়, তওবা করতে চায়, তাহলে তার কর্তব্য হারাম উপার্জন বন্ধ করা এবং হারাম উপায়ে উপার্জিত সব সম্পদ প্রকৃত হকদারদের কাছে পৌঁছে দেওয়া বা দান করে দেওয়া। অন্যায়ভাবে কারো সম্পদ আত্মসাৎ করে থাকলে, কারো হক নষ্ট করে থাকলে তার সম্পদ তার কাছে পৌঁছে দেওয়া, তার যথাযথ ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা জরুরি। তা সম্ভব না হলে ওই সম্পদ দরিদ্রদের দিয়ে দিতে হবে।

এই দানের কারণে সে সদকার সওয়াব পাবে না। তবে যথাযথভাবে তওবা করে থাকলে তওবার সওয়াব পাবে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা আশা করতে পারবে।

ওএফএফ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow