অভিনয় করতে গিয়ে জয়ের মৃত্যু

শর্ট ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকের-এর জন্য একটি দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে গলায় ওড়না আটকে বরিশালের আগৈলঝাড়ায়  রাজ মন্ডল জয় (১৬) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আগৈলঝাড়া উপজেলা-র গৈলা ইউনিয়নের পশ্চিম সুজনকাঠী গ্রামের হরিষত মন্ডলের ছেলে জয় উপজেলা সদরের ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমি-র দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার মা শরীয়তপুরের একটি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত। আগৈলঝড়ায় জয়ের বাবা, দাদি ও বোনের সঙ্গে সে বসবাস করত। পরিবারের সদস্যরা জানান, জয়ের নিজের একটি টিকটক অ্যাকাউন্ট ছিল এবং সেখানে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট আপলোড করত। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে স্থানীয়ভাবে পরিচিত টিকটকার হিসেবেও পরিচিত ছিল এবং তার আইডিতে ভিউ ও ফলোয়ারও ভালো ছিল। গত ৪ মার্চ সন্ধ্যায় বাড়ির দ্বিতীয় তলায় নিজের কক্ষে টিকটকের কনটেন্টের জন্য একটি দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস লেগে যায়। দীর্ঘ সময় নিচে না নামায় ছোট বোন নুপু মন্ডল তাকে খুঁজতে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে বিষয়টি দাদিকে জানালে প্রতিবেশীরা এসে তাকে

অভিনয় করতে গিয়ে জয়ের মৃত্যু

শর্ট ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকের-এর জন্য একটি দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে গলায় ওড়না আটকে বরিশালের আগৈলঝাড়ায়  রাজ মন্ডল জয় (১৬) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আগৈলঝাড়া উপজেলা-র গৈলা ইউনিয়নের পশ্চিম সুজনকাঠী গ্রামের হরিষত মন্ডলের ছেলে জয় উপজেলা সদরের ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমি-র দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার মা শরীয়তপুরের একটি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কর্মরত। আগৈলঝড়ায় জয়ের বাবা, দাদি ও বোনের সঙ্গে সে বসবাস করত।

পরিবারের সদস্যরা জানান, জয়ের নিজের একটি টিকটক অ্যাকাউন্ট ছিল এবং সেখানে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট আপলোড করত। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে স্থানীয়ভাবে পরিচিত টিকটকার হিসেবেও পরিচিত ছিল এবং তার আইডিতে ভিউ ও ফলোয়ারও ভালো ছিল।

গত ৪ মার্চ সন্ধ্যায় বাড়ির দ্বিতীয় তলায় নিজের কক্ষে টিকটকের কনটেন্টের জন্য একটি দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস লেগে যায়। দীর্ঘ সময় নিচে না নামায় ছোট বোন নুপু মন্ডল তাকে খুঁজতে গিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে বিষয়টি দাদিকে জানালে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

কিন্তু সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জয়কে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশ-এর আগৈলঝাড়া থানা-র উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, জয়ের সঙ্গে কারো কোনো বিরোধ বা পারিবারিক সমস্যা ছিল না। টিকটকের কনটেন্টের জন্য  দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত তার মৃত্যু হয়েছে।

জয়ের মা স্মৃতি মন্ডল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি সরকারের কাছে টিকটক বন্ধ করার দাবি জানাই।”

এসআই ওমর ফারুক জানান, গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর খবর পেয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। পরে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow