অর্থপাচার মামলায় তিনজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

অর্থপাচারের অভিযোগে পল্লবী ও দোহার থানায় করা পৃথক দুটি মামলার তদন্তের স্বার্থে তিন আসামির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতার এড়াতে আসামিরা যে কোনো সময় দেশ ত্যাগ করতে পারেন—এমন আশঙ্কা থেকেই সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট তাদের পাসপোর্ট ব্লকসহ বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করে। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। পল্লবী থানার মামলার প্রধান অভিযুক্ত তাজুল (তাইজুল) ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ইটভাটা স্থাপন, দলিল জালিয়াতি, প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ৫১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৫১ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের (অর্থপাচার) অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, তাজুল তার আয়ের বৈধ উৎস প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং মৃত ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ভুয়া অডিট প্রতিবেদন তৈরিরও প্রমাণ মিলেছে। এ ঘটনায় তার চারটি ব্যাংক

অর্থপাচার মামলায় তিনজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

অর্থপাচারের অভিযোগে পল্লবী ও দোহার থানায় করা পৃথক দুটি মামলার তদন্তের স্বার্থে তিন আসামির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতার এড়াতে আসামিরা যে কোনো সময় দেশ ত্যাগ করতে পারেন—এমন আশঙ্কা থেকেই সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট তাদের পাসপোর্ট ব্লকসহ বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করে। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

পল্লবী থানার মামলার প্রধান অভিযুক্ত তাজুল (তাইজুল) ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ইটভাটা স্থাপন, দলিল জালিয়াতি, প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ৫১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৫১ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের (অর্থপাচার) অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তে দেখা গেছে, তাজুল তার আয়ের বৈধ উৎস প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং মৃত ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ভুয়া অডিট প্রতিবেদন তৈরিরও প্রমাণ মিলেছে। এ ঘটনায় তার চারটি ব্যাংক হিসাবে থাকা ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭১ টাকা আগেই আদালতের নির্দেশে জব্দ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দোহার থানার মামলায় অভিযুক্ত মো. রাজু আহম্মদ রাজ্জাক ও তার ছেলে মো. রাকিব হোসেনের বিরুদ্ধে বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।

সিআইডির তদন্ত অনুযায়ী, তারা মালয়েশিয়া, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে স্বল্প খরচে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। পরে ভুক্তভোগীদের জাল ভিসা ও ভুয়া বিমান টিকিট দিয়ে প্রতারণা করেন।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, উভয় মামলার আসামিরাই বর্তমানে পলাতক। তাদের গ্রেফতারে সহায়তার জন্য ইমিগ্রেশন পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মামলাগুলোর তদন্ত করছেন সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক মো. সোহেল রানা।

এমডিএএ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow