অসুস্থ আবু বক্করের পাশে দাঁড়ালেন ওয়াহিদুর রহমান

দৈনিক ‘কালবেলা’ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর মরণব্যাধি কিডনি ও ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত অসহায় তরুণ আবু বক্করের (২৩) পাশে দাঁড়িয়েছেন মানিকগঞ্জ ফিরোজা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদুর রহমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয়নের গণসিংজুরী গ্রামে অসুস্থ আবু বক্করের বাড়িতে যান তিনি। সেখানে গিয়ে তরুণের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় অসুস্থ আবু বক্করের জরুরি চিকিৎসার জন্য নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি এখন থেকে অসুস্থ আবু বক্করসহ তার পরিবারের সকল সদস্যের আজীবন প্রয়োজনীয় যাবতীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা (মেডিকেল টেস্ট) মানিকগঞ্জ ফিরোজা জেনারেল হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে (ফ্রি) করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় ‘বাঁচতে চায় আবু বক্কর, সাহায্যের আবেদন’ শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সচেতন মহলে ছড়িয়ে পড়লে ওয়াহিদুর রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়।  টাকার অভাবে বক্করের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বৃদ্ধ দাদা-দাদির ভাঙা

অসুস্থ আবু বক্করের পাশে দাঁড়ালেন ওয়াহিদুর রহমান

দৈনিক ‘কালবেলা’ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর মরণব্যাধি কিডনি ও ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত অসহায় তরুণ আবু বক্করের (২৩) পাশে দাঁড়িয়েছেন মানিকগঞ্জ ফিরোজা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদুর রহমান।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার সিংজুরী ইউনিয়নের গণসিংজুরী গ্রামে অসুস্থ আবু বক্করের বাড়িতে যান তিনি। সেখানে গিয়ে তরুণের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় অসুস্থ আবু বক্করের জরুরি চিকিৎসার জন্য নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি এখন থেকে অসুস্থ আবু বক্করসহ তার পরিবারের সকল সদস্যের আজীবন প্রয়োজনীয় যাবতীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা (মেডিকেল টেস্ট) মানিকগঞ্জ ফিরোজা জেনারেল হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে (ফ্রি) করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

এর আগে সোমবার (১৫ জুন) দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় ‘বাঁচতে চায় আবু বক্কর, সাহায্যের আবেদন’ শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সচেতন মহলে ছড়িয়ে পড়লে ওয়াহিদুর রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। 

টাকার অভাবে বক্করের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বৃদ্ধ দাদা-দাদির ভাঙা ঘরের বারান্দায় তার মৃত্যুর প্রহর গোনার করুণ চিত্রটি ওয়াহিদুর রহমানের নজরে আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি দ্রুত সাড়া দিয়ে প্রত্যন্ত ওই গ্রামে আবু বক্করের বাড়িতে ছুটে যান।

আকস্মিক এই মানবিক সহায়তা ও আজীবন ফ্রি চিকিৎসার আশ্বাস পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আবু বক্করের বৃদ্ধ দাদা-দাদি। তারা অশ্রুসজল চোখে দৈনিক কালবেলা কর্তৃপক্ষ এবং ওয়াহিদুর রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর ফিরোজা জেনারেল হাসপাতালের এমডি যেভাবে দ্রুত এগিয়ে এলেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ উদ্যোগের ফলে অন্যান্য বিত্তবান ও মানবিক সংগঠনগুলোও আবু বক্করের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসায় এগিয়ে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ ফিরোজা জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদুর রহমান বলেন, কালবেলায় নিউজটি দেখে আমি অত্যন্ত ব্যথিত হই। একজন মানুষ হিসেবে আমি আমার সাধ্যমতো তার পাশে দাঁড়িয়েছি। আমার হাসপাতালের পক্ষ থেকে আবু বক্কর ও তার পরিবারের সবার আজীবন ফ্রি টেস্টের দায়িত্ব নিলাম। সমাজের অন্যান্য বিত্তবানদেরও এই ছেলের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow