অসুস্থ ছাত্রদল নেতাকে সহায়তা করে বিপাকে কৃষকদল নেতা
নোয়াখালীর সেনবাগে মৃত্যুপথযাত্রী সাবেক এক ছাত্রদল নেতার চিকিৎসার জন্য অনুদান সংগ্রহ করে সহায়তা করায় দলীয় সমালোচনার মুখে পড়েছেন উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মো. নুরনবী মজুমদার। এ ঘটনার জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে নোয়াখালী জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ফজলে এলাহী (ভিপি পলাশ) জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সেনবাগের কেশারপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি অসুস্থ আবদুল খালেককে চাঁদা তুলে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন কৃষকদলের উপজেলা সদস্য সচিব নুরনবী। এ নিয়ে দলের একটি অংশ বিরূপ মন্তব্য ও অভিযোগ করায় নুরনবী ক্ষোভে পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে ওপর মহল থেকে বিভিন্ন চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে আমরা তদন্ত করে এ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করবো। এর আগে নুরনবী তার ফেসবুকে গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ছাত্রদল নেতা আবদুল খালেককে চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার ছবি। এ টাকা যে ২৬ জন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে তাদের নাম ও টাকার পরিমাণ এবং পদত্যাগ পত্রের কপি ফেসবুকে পোস্ট করলে নানান মন্তব্য
নোয়াখালীর সেনবাগে মৃত্যুপথযাত্রী সাবেক এক ছাত্রদল নেতার চিকিৎসার জন্য অনুদান সংগ্রহ করে সহায়তা করায় দলীয় সমালোচনার মুখে পড়েছেন উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মো. নুরনবী মজুমদার। এ ঘটনার জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে নোয়াখালী জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ফজলে এলাহী (ভিপি পলাশ) জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, সেনবাগের কেশারপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি অসুস্থ আবদুল খালেককে চাঁদা তুলে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন কৃষকদলের উপজেলা সদস্য সচিব নুরনবী। এ নিয়ে দলের একটি অংশ বিরূপ মন্তব্য ও অভিযোগ করায় নুরনবী ক্ষোভে পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে ওপর মহল থেকে বিভিন্ন চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে আমরা তদন্ত করে এ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করবো।
এর আগে নুরনবী তার ফেসবুকে গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ছাত্রদল নেতা আবদুল খালেককে চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার ছবি। এ টাকা যে ২৬ জন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে তাদের নাম ও টাকার পরিমাণ এবং পদত্যাগ পত্রের কপি ফেসবুকে পোস্ট করলে নানান মন্তব্য শুরু হয়।
জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ককে লেখা পদত্যাগ পত্রে তিনি লিখেন, একজন রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হিসেবে কেশারপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল খালেককে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে চাঁদা তুলে সংগ্রহ করা ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেই। এ অনুদানের দাতাদের নামও অনলাইনে প্রকাশ করি। কোনো দাতার অভিযোগ ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে দলের ভেতর কিছু নেতা মিথ্যা অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। একজন রাজনৈতিক সহযোদ্ধার পাশে দাঁড়ানো যদি রাজনীতিতে অপরাধ হয়, আমি সেই রাজনীতি থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলাম। অতএব, আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে আমাকে ধন্য করুন।
নুরনবী মজুমদার জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমান রাজনীতিতে মায়া-মমতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন উঠে যাচ্ছে। আমি মৃত্যু পথযাত্রী দলের সাবেক ছাত্রনেতাকে সহযোগীতা করার জন্য হাত বাড়ালে অনেকেই এগিয়ে আসেন। কে কত টাকা দিয়েছেন তাও প্রকাশ করি। এখন দলের মধ্যে কিছু ব্যক্তি আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুধু বিরোধীতা করার জন্য আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। যে রাজনীতিতে সম্মান শ্রদ্ধা নাই সে রাজনীতি করারও দরকার নাই। তাই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ইকবাল হোসেন মজনু/কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?