অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরছেন জাকের-মুশফিক, কেন?
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়াচ্ছে আগামীকাল ভোরে। ডারউইনে এই ম্যাচকে সামনে রেখে মূল দলের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। তবে প্রথম টেস্টের আগেই অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরছেন বাংলাদেশ দলের দুই ক্রিকেটার জাকের আলি অনিক ও মুশফিক হাসান। তাদের দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মূলত বাংলাদেশ ‘এ’ দলের আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকে সামনে রেখে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রস্তুতিতে দলের সঙ্গে থাকলেও এখন ‘এ’ দলের ক্যাম্পে যোগ দিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি আরও এগিয়ে নেবেন জাকের ও মুশফিক। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য বাংলাদেশ ‘এ’ দলের প্রস্তুতিতে তাদের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের আগে বাংলাদেশ শিবিরে এসেছে স্বস্তির খবর। চোটের কারণে সিরিজের আগে অনিশ্চয়তায় থাকা লিটন কুমার দাস এখন পুরোপুরি ফিট। ম্যাচ খেলার জন্য তার সামনে আর কোনো শারীরিক বাধা নেই। ফলে ডারউইন টেস্টের একাদশে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে। লিটনের ফেরাটা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে নিঃসন্দেহে বাড়তি ভারসাম্য আনবে। অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে অভিজ্
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়াচ্ছে আগামীকাল ভোরে। ডারউইনে এই ম্যাচকে সামনে রেখে মূল দলের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। তবে প্রথম টেস্টের আগেই অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরছেন বাংলাদেশ দলের দুই ক্রিকেটার জাকের আলি অনিক ও মুশফিক হাসান।
তাদের দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মূলত বাংলাদেশ ‘এ’ দলের আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকে সামনে রেখে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রস্তুতিতে দলের সঙ্গে থাকলেও এখন ‘এ’ দলের ক্যাম্পে যোগ দিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি আরও এগিয়ে নেবেন জাকের ও মুশফিক। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য বাংলাদেশ ‘এ’ দলের প্রস্তুতিতে তাদের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের আগে বাংলাদেশ শিবিরে এসেছে স্বস্তির খবর। চোটের কারণে সিরিজের আগে অনিশ্চয়তায় থাকা লিটন কুমার দাস এখন পুরোপুরি ফিট। ম্যাচ খেলার জন্য তার সামনে আর কোনো শারীরিক বাধা নেই। ফলে ডারউইন টেস্টের একাদশে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে।
লিটনের ফেরাটা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে নিঃসন্দেহে বাড়তি ভারসাম্য আনবে। অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের উপস্থিতি দলকে স্বস্তি দেবে। বিশেষ করে প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ধস নামার পর লিটনের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের ফেরাটা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
পেস বোলিংয়েও ধীরে ধীরে স্বস্তি ফিরছে বাংলাদেশ শিবিরে। বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম ইনজুরি কাটিয়ে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। যদিও প্রথম টেস্টের একাদশে তাকে দেখা যাবে না, দ্বিতীয় টেস্টে তার ফেরার পথ অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে। ফলে সিরিজের শেষ ম্যাচে শরিফুলের উপস্থিতি বাংলাদেশের পেস আক্রমণে বাড়তি গতি ও বৈচিত্র্য যোগ করতে পারে।
অবশ্য অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঘাটতি হয়ে থাকছে নাহিদ রানার অনুপস্থিতি। চোটের কারণে সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়া এই গতিতারকার অভাব পূরণ করা সহজ হবে না। তবে শরিফুলের ফেরা এবং দলের অন্য পেসারদের ওপর ভরসা রেখেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
এসকেডি/আইএইচএস/
What's Your Reaction?