অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে সেঞ্চুরির রহস্য জানালেন মিরাজ
দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে গেছে বাংলাদেশ। দলে যারা রয়েছেন, তারা আগে কখনই অজিদের মাটিতে টেস্ট খেলেননি। মূল লড়াইয়ে নামার আগে ক্রিকেটাররা খেলছেন প্রস্তুতি ম্যাচ, যেখানে বাজিমাত করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
এই অলরাউন্ডার একাই লড়াই করেছেন দলের হয়ে। প্রথম দিন ২৬৩ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে দলের পক্ষে আর কেউ অর্ধশতকও হাঁকাতে পারেননি, সেখানে মিরাজ হাঁকিয়েছেন সেঞ্চুরি। দিনের খেলা শেষে ১৪১ বলে ১০৯ রান করে অপরাজিত থাকার রহস্য খোলাসা করেছেন ৭ নম্বরে ব্যাট করতে নামা মিরাজ।
তিনি বলেন, ‘বলের মেরিট অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি। ওদের বোলাররা অনেক ভালো জায়গায় বল করছিল। আমার জন্য একটু কঠিন ছিল, যেহেতু এই প্রথম এই কন্ডিশনে খেলছি। তাই পার্টনারশিপ গড়া আর রান বাড়ানোর জন্য খেলেছি। প্রথমে রানের জন্য খেলিনি। চেষ্টা করেছি উইকেটে কীভাবে মানিয়ে নেওয়া যায়। পরে সুযোগ পেয়েছি যখন রান হয়ে গিয়েছে।’
অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারের মতে, ‘সামনে টেস্ট আছে যেহেতু, অনেক আত্মবিশ্বাস দিবে। যে মাইন্ড সেটআপে ছিলাম, ধারাবাহিকতা রাখতে পারলে আমার জন্য ও দলের জন্য ভালো হবে।’
যদিও মিরাজের জন্য কাজটা সহজ ছিল না মোটেও। বিশেষ
দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে গেছে বাংলাদেশ। দলে যারা রয়েছেন, তারা আগে কখনই অজিদের মাটিতে টেস্ট খেলেননি। মূল লড়াইয়ে নামার আগে ক্রিকেটাররা খেলছেন প্রস্তুতি ম্যাচ, যেখানে বাজিমাত করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
এই অলরাউন্ডার একাই লড়াই করেছেন দলের হয়ে। প্রথম দিন ২৬৩ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে দলের পক্ষে আর কেউ অর্ধশতকও হাঁকাতে পারেননি, সেখানে মিরাজ হাঁকিয়েছেন সেঞ্চুরি। দিনের খেলা শেষে ১৪১ বলে ১০৯ রান করে অপরাজিত থাকার রহস্য খোলাসা করেছেন ৭ নম্বরে ব্যাট করতে নামা মিরাজ।
তিনি বলেন, ‘বলের মেরিট অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি। ওদের বোলাররা অনেক ভালো জায়গায় বল করছিল। আমার জন্য একটু কঠিন ছিল, যেহেতু এই প্রথম এই কন্ডিশনে খেলছি। তাই পার্টনারশিপ গড়া আর রান বাড়ানোর জন্য খেলেছি। প্রথমে রানের জন্য খেলিনি। চেষ্টা করেছি উইকেটে কীভাবে মানিয়ে নেওয়া যায়। পরে সুযোগ পেয়েছি যখন রান হয়ে গিয়েছে।’
অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডারের মতে, ‘সামনে টেস্ট আছে যেহেতু, অনেক আত্মবিশ্বাস দিবে। যে মাইন্ড সেটআপে ছিলাম, ধারাবাহিকতা রাখতে পারলে আমার জন্য ও দলের জন্য ভালো হবে।’
যদিও মিরাজের জন্য কাজটা সহজ ছিল না মোটেও। বিশেষ করে শুরুর দিকে যখন কন্ডিশন ছিল কঠিন। একপর্যায়ে খেলেছেন বলের মেরিট অনুযায়ী। স্ট্রাইক রোটেশনে দেখিয়েছেন মুন্সিয়ানা। তবে সুযোগ পেলে বাউন্ডারি হাঁকাতেও ভুল করেননি। ঝলমলে সেই ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও ৪টি ছক্কা।
তার ভাষায়, ‘কন্ডিশন শুরু থেকেই কঠিন ছিল। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছি, স্ট্রাইক রোটেট করে খেলেছি। সুযোগ আসলে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি।’
মিরাজ ছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে মুমিনুল হক ৫৩ বলে ৩৭ ও সাদমান ইসলাম অনিক ৪৭ বলে ৩১ রান করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ ২ উইকেট হারিয়ে ৫১ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করে। বাংলাদেশের পক্ষে উইকেট দুটি পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ।