অস্ট্রেলিয়ার পর এবার শ্রীলঙ্কা-বধ জিম্বাবুয়ের
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আগেই চমকে দেওয়া জিম্বাবুয়ে এবার উড়িয়ে দিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকেও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তারা ৬ উইকেটে হারিয়েছে লঙ্কানদের। দারুণ এই জয়ের ফলে অপরাজিত থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার এইটে গেল জিম্বাবুইয়ানরা। দুর্দান্ত রান তাড়ায় লঙ্কানদের গুঁড়িয়ে জয়ের হাসি হেসেছে জিম্বাবুয়ে। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা এবং কুশল পেরেরার ব্যাটে চড়ে এগিয়েছে লঙ্কানদের ইনিংস। বেশি আগ্রাসী ছিলেন নিসাঙ্কা। ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৫৪ রান। ১৪ বলে ২২ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন কুশল পেরেরা। তিনে নেমে নিসাঙ্কার সাথে যোগ দেন কুশল মেন্ডিস। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েছেন নিসাঙ্কা। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে কচুকাটা করেছেন জিম্বাবুয়ের বোলারদের। দলের বোর্ডে তুলেছেন রান। নিজেও চলে যান ফিফটির কাছে। শেষমেশ ফিফটিটা ছুঁয়েই ফেলেন নিসাঙ্কা। তিনে নামা কুশল মেন্ডিস যদিও সুবিধা করতে পারেননি তেমন। ২০ বলে ১৪ রান করে দলের ১০০ রানের মাথাতে থামেন তি
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আগেই চমকে দেওয়া জিম্বাবুয়ে এবার উড়িয়ে দিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকেও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তারা ৬ উইকেটে হারিয়েছে লঙ্কানদের। দারুণ এই জয়ের ফলে অপরাজিত থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার এইটে গেল জিম্বাবুইয়ানরা। দুর্দান্ত রান তাড়ায় লঙ্কানদের গুঁড়িয়ে জয়ের হাসি হেসেছে জিম্বাবুয়ে।
কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কা এবং কুশল পেরেরার ব্যাটে চড়ে এগিয়েছে লঙ্কানদের ইনিংস। বেশি আগ্রাসী ছিলেন নিসাঙ্কা। ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৫৪ রান। ১৪ বলে ২২ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন কুশল পেরেরা।
তিনে নেমে নিসাঙ্কার সাথে যোগ দেন কুশল মেন্ডিস। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৬১ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েছেন নিসাঙ্কা। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে কচুকাটা করেছেন জিম্বাবুয়ের বোলারদের। দলের বোর্ডে তুলেছেন রান। নিজেও চলে যান ফিফটির কাছে।
শেষমেশ ফিফটিটা ছুঁয়েই ফেলেন নিসাঙ্কা। তিনে নামা কুশল মেন্ডিস যদিও সুবিধা করতে পারেননি তেমন। ২০ বলে ১৪ রান করে দলের ১০০ রানের মাথাতে থামেন তিনি। পরের ওভারেই বিদায় নেন নিসাঙ্কা। ৪১ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলে দলের ১০৮ রানের মাথাতে থেমেছেন লঙ্কান ওপেনার।
বাকি সময়ে দলের হাল শক্ত হাতে ধরেছেন পাভান রাথনায়েকে। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন তিনি। জিম্বাবুয়ের বোলারদের পিটিয়ে তক্তা বানিয়েছেন রাথনায়েকে। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে চলে যান ফিফটির কাছে। যদিও ফিফটিটা ছুঁতে পারেননি তিনি। ২৫ বলে ৪৪ রানের বিস্ফোরক এক ইনিংস খেলে শেষের আগের ওভারে থামেন রাথনায়েকে।
নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় শ্রীলঙ্কা। শেষ দিকে ৮ বলে ১৫ রান করে টিকে ছিলেন দুনিথ ভেল্লালাগে।
জিম্বাবুয়ের হয়ে ২টি করে উইকেট শিকার করেছেন ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভানস এবং গ্রায়েম ক্রেমার। ১ উইকেট নেন রায়ান বার্ল।
জবাব দিতে নেমে দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট এবং তাদিওয়ানাশে মারুমানির ব্যাটে চড়ে ভালো শুরু পায় জিম্বাবুয়ে। শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলের বোর্ডে রান তুলেছেন দুই ওপেনার। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৫৫ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।
ওপেনিং জুটি থেকে এসেছে ৬৯ রান। মারুমানি ২৬ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন। তিনে নেমে ঝড় শুরু করেন রায়ান বার্লও। যদিও তার ঝড় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১২ বলে ২৩ রানের ক্যামিও খেলে দলের ৯৮ রানের মাথাতে সাজঘরে ফিরে যান বার্ল।
এরপর টিকে থাকা ওপেনার বেনেটের সাথে যোগ দেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। দুজনে মিলে ক্রিজে একদম জমে যান। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে রান বের করেছেন রাজা। শ্রীলঙ্কান বোলারদের পিটিয়ে তুলোধুনো করছিলেন। দেখেশুনে আগালেও বেনেট দিয়ে গেছেন যোগ্য সঙ্গ।
ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়েকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন বেনেট এবং রাজা। ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন বেনেট। রাজাও ছুটতে থাকেন, চলে যান ফিফটির খুব কাছে। লঙ্কান বোলারদের কচুকাটা করে জয়ের খুব কাছে চলে যায় জিম্বাবুয়ে। শেষ ৩ ওভারে দরকার ছিল মাত্র ১৯ রান, হাতে ৮ উইকেট। ১৮তম ওভারে আসে ৬ রান, সমীকরণ চলে আসে ১২ বলে ১৩ রানে।
তবে ১৯তম ওভারেই খেলা ঘুরে যেতে শুরু করে। দুশান হেমন্থ এসে ফেরান ২৬ বলে ৪৫ রান করা রাজাকে। আরও ফিরিয়েছেন তাসিঙ্গা মুসেকিওয়াকে। রান দিয়েছেন মাত্র ৫।
শেষ ওভারে দরকার ৮ রান। স্ট্রাইকে টনি মুয়োঙ্গা। বোলিংয়ে মাহিশ থিকশানা। প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান মুয়োঙ্গো। পরের বলে ১ রান। এবার স্ট্রাইকে বেনেট। পরের বলেই জয়সূচক রান নিয়ে ফেলেন বেনেট। ৩ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটে জয়লাভ করে জিম্বাবুয়ে। শ্রীলঙ্কার হয়ে ২ উইকেট শিকার করেছেন দুশান হেমন্থ। ১টি করে উইকেট নেন দুনিথ ভেল্লালাগে এবং দাসুন শানাকা।
What's Your Reaction?