অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাথা উঁচু করেই প্রথম দিন শেষ করলো বাংলাদেশ
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া, এরপর বাংলাদেশের বোলারদের আগুনে বোলিং, ১৯৮ রানে অলআউট করে দেওয়া হলো স্বাগতিকদের। একাই ৬ উইকেট নিলেন হাসান মাহমুদ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ২৪ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৯৬। উপরের প্যারাটা কোনো স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটের পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে এমন একটি দিন কাটানো বাংলাদেশের জন্য স্বপ্নই মনে হতো হয়তো; কিন্তু সেটা এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। ডারউইন টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রেখে মাথা উঁচু করে এভাবেই প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। দিন শেষে হয়তো এখনও ১০২ রান পিছিয়ে টাইগাররা; কিন্তু সার্বিক বিচারে সব বিভাগেই ডারউইন টেস্টে এগিয়ে থাকা দলটির নাম বাংলাদেশ। প্রথমদিন শেষে ৩২ রানে তানজিদ হাসান তামিম ৩২ রানে এবং মুমিনুল হক ৩৫ রানে উইকেটে রয়েছেন। ২০ রান করে আউট হয়েছেন সাদমান ইসলাম। ১৯৮ রানে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করে দেওয়ার পর ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বেশ দেখে-শুনে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের মোকাবেলা করতে থাকে বাংলাদেশের ওপেনাররা। এর মধ্যে মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজলউডের ইনসুইং, আউট সুইঙ্গারগুলো বেশ স
টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়া, এরপর বাংলাদেশের বোলারদের আগুনে বোলিং, ১৯৮ রানে অলআউট করে দেওয়া হলো স্বাগতিকদের। একাই ৬ উইকেট নিলেন হাসান মাহমুদ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিন শেষে ২৪ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের রান ৯৬।
উপরের প্যারাটা কোনো স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটের পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে এমন একটি দিন কাটানো বাংলাদেশের জন্য স্বপ্নই মনে হতো হয়তো; কিন্তু সেটা এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা।
ডারউইন টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রেখে মাথা উঁচু করে এভাবেই প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। দিন শেষে হয়তো এখনও ১০২ রান পিছিয়ে টাইগাররা; কিন্তু সার্বিক বিচারে সব বিভাগেই ডারউইন টেস্টে এগিয়ে থাকা দলটির নাম বাংলাদেশ।
প্রথমদিন শেষে ৩২ রানে তানজিদ হাসান তামিম ৩২ রানে এবং মুমিনুল হক ৩৫ রানে উইকেটে রয়েছেন। ২০ রান করে আউট হয়েছেন সাদমান ইসলাম।
১৯৮ রানে অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করে দেওয়ার পর ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বেশ দেখে-শুনে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের মোকাবেলা করতে থাকে বাংলাদেশের ওপেনাররা। এর মধ্যে মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজলউডের ইনসুইং, আউট সুইঙ্গারগুলো বেশ সাবধানেই সামলাতে থাকেন তারা দু’জন।
যদিও ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলেই পাগলামি করে বসেছিলেন তানজিদ তামিম। হ্যাজলউডকে টি-টোয়েন্টি স্টাইলে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন; কিন্তু বল উঠে যায় উপরে। বাতাসে বেশ কিছুক্ষণ বলটি ভেসেও থাকে। নাথান লায়ন ক্যাচটা নিতে গিয়ে ফেলে দেন। তামিমের নামের পামে ছিল তখন মাত্র ২ রান।
হয়তো তখনই বুঝতে পেরেছিলেন কিংবা সতীর্থরা তামিমকে বলেছিলেন, এটা টি-২০ নয়, টেস্ট। যে কারণে তামিমকে আর পরের অংশে কোনো পাগলামি করতে দেখা যায়নি। বরং, বেশ ধীরে-সুস্থে ব্যাটিং করতে দেখা গেছে।
সাদমান ইসলাম মিচেল স্টার্কের বলটি বুঝতে পারেননি। বল প্যাড বরারবর ছিল। ঠেকাতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বল সুইং করায় ব্যাটের উপরের কানায় লেগে চলে যায় কভার পয়েন্টে। নাথান লায়নই ক্যাচটা তালুবন্দী করেন। ৩৬ রানের মাথায় পড়ে বাংলাদেশের একমাত্র উইকেটটি।
এরপর তানজিদ তামিম এবং অভিজ্ঞ মুমিনুল হক মিলে গড়েন ৬০ রানের জুটি। তারা এতটাই সতর্ক ছিলেন যে, আউটের কোনো সম্ভাবনাই তৈরি হতে দেননি অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের পেসারদের আগুনে বোলিংয়ের মুখে পড়ে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটাররা। হাসান মাহমুদ একাই নেন ৬ উইকেট। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন স্টিভেন স্মিথ। ২৩ রান করেন জ্যাক ওয়েদারল্যান্ড ও ২২ রান করেন ট্রাভিস হেড।
আইএইচএস/
What's Your Reaction?