‘অস্ত্র নামিয়ে রাখুন অন্যথায় নিশ্চিত মৃত্যু’, স্পষ্ট বার্তা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্র ইরানে একটি ‘বড় সামরিক অভিযান’ শুরু করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেওয়া বিবৃতিতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সদস্যদের অস্ত্র নামিয়ে রাখতেও বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই অভিযানের লক্ষ্য হলো ‘ইরানি শাসনব্যবস্থা থেকে আসন্ন হুমকি নির্মূল করে আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করা’। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে পারবে না।’ ট্রাম্প ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর প্রতি সরাসরি বার্তা দিয়ে বলেন, ‘অস্ত্র নামিয়ে রাখুন। তাহলে আপনাদের সম্পূর্ণ দায়মুক্তি দিয়ে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা হবে অন্যথায় নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে।’ ট্রাম্প আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া। পাশাপাশি ইরানের নৌবাহিনীও ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। অভিযানে আকাশ ও সমুদ্রপথে হামলা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্যবস্তু হিসেব

‘অস্ত্র নামিয়ে রাখুন অন্যথায় নিশ্চিত মৃত্যু’, স্পষ্ট বার্তা ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্র ইরানে একটি ‘বড় সামরিক অভিযান’ শুরু করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেওয়া বিবৃতিতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সদস্যদের অস্ত্র নামিয়ে রাখতেও বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এই অভিযানের লক্ষ্য হলো ‘ইরানি শাসনব্যবস্থা থেকে আসন্ন হুমকি নির্মূল করে আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করা’। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে পারবে না।’

ট্রাম্প ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর প্রতি সরাসরি বার্তা দিয়ে বলেন, ‘অস্ত্র নামিয়ে রাখুন। তাহলে আপনাদের সম্পূর্ণ দায়মুক্তি দিয়ে ন্যায়সঙ্গত আচরণ করা হবে অন্যথায় নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে।’

ট্রাম্প আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া। পাশাপাশি ইরানের নৌবাহিনীও ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।

ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। অভিযানে আকাশ ও সমুদ্রপথে হামলা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্যবস্তু হিসেবে এমন স্থাপনাগুলোকে বেছে নেওয়া হয়েছে, যেগুলো ইসরায়েল ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

কেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow