আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বৈঠকে ২ ইস্যুতে আলোচনা 

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) হওয়া বৈঠকে চলমান ঋণ কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক নীতিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জোর আলোচনা হয়। আইএমএফের সফররত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন এ বৈঠকে অংশ নেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পরবর্তী বৈঠকে মূলত অর্থনৈতিক নীতি ও ব্যাংকিং খাতের অবস্থা নিয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগামী মাসে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকের পর সংস্থাটির একটি মিশন ঢাকা সফর করবে। সফরের পরে মিশনের প্রতিবেদন আইএমএফের নির্বাহী পর্ষদে জমা দেওয়া হবে। অন্য একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পরবর্তী বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মূলত নীতি সুদহার, বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা এবং ব্যাংকিং খাতের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আইএমএফের ঋণ কর্মসূচি শুরু হয়। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গত বছরের জুনে এ কর্মসূচির পরিমাণ ৮০০ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি ক

আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বৈঠকে ২ ইস্যুতে আলোচনা 

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) হওয়া বৈঠকে চলমান ঋণ কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক নীতিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে জোর আলোচনা হয়।

আইএমএফের সফররত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন এ বৈঠকে অংশ নেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পরবর্তী বৈঠকে মূলত অর্থনৈতিক নীতি ও ব্যাংকিং খাতের অবস্থা নিয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগামী মাসে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকের পর সংস্থাটির একটি মিশন ঢাকা সফর করবে। সফরের পরে মিশনের প্রতিবেদন আইএমএফের নির্বাহী পর্ষদে জমা দেওয়া হবে।

অন্য একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পরবর্তী বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মূলত নীতি সুদহার, বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা এবং ব্যাংকিং খাতের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে।

২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আইএমএফের ঋণ কর্মসূচি শুরু হয়। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গত বছরের জুনে এ কর্মসূচির পরিমাণ ৮০০ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করে পাঁচ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হয়।

এ পর্যন্ত বাংলাদেশ পাঁচ কিস্তিতে তিন দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা পেয়েছে এবং বর্তমানে এক দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার বাকি রয়েছে। তবে, গত বছরের ডিসেম্বরে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি পাওয়ার কথা থাকলেও তা এখনও ছাড়েনি আইএমএফ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow