আইকনিক ভবন নির্মাণ করছে ওয়ালটন, ৩ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশীয় টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কার্যকর পরিকল্পনা ও আধুনিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে রাজধানীতে ১৮ লাখ বর্গফুট আয়তনের দেশের সর্ববৃহৎ অত্যাধুনিক ও ‘গ্রিন আইকনিক’ অফিস ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ার নির্মাণের স্থাপত্য, নির্মাণ ও প্রকৌশল পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে দেশের স্বনামধন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান, ভিসতারা আর্কিটেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড, অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং। গত রোববার (৩ মে) রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে এই তিন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।  ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিএফও মো. জিয়াউল আলমের সঙ্গে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রফেসর ড. এম শামিম জেড বসুনিয়া, ভিসতারা আর্কিটেক্টসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আর্কিটেক্ট মুস্তফা খালিদ পলাশ এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সিইও আবুল বাশার মোহা

আইকনিক ভবন নির্মাণ করছে ওয়ালটন, ৩ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে দেশীয় টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কার্যকর পরিকল্পনা ও আধুনিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে রাজধানীতে ১৮ লাখ বর্গফুট আয়তনের দেশের সর্ববৃহৎ অত্যাধুনিক ও ‘গ্রিন আইকনিক’ অফিস ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ার নির্মাণের স্থাপত্য, নির্মাণ ও প্রকৌশল পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে দেশের স্বনামধন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান, ভিসতারা আর্কিটেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড, অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং।

গত রোববার (৩ মে) রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে এই তিন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৃথক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। 

ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিএফও মো. জিয়াউল আলমের সঙ্গে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অ্যাবোড অব কনসালট্যান্টসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর প্রফেসর ড. এম শামিম জেড বসুনিয়া, ভিসতারা আর্কিটেক্টসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আর্কিটেক্ট মুস্তফা খালিদ পলাশ এবং বিএন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সিইও আবুল বাশার মোহাম্মদ আব্দুল কবির।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, একটি ভালো অফিস মানে শুধু নান্দনিকতা নয়, বরং এমন একটি পরিবেশ যেখানে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে এবং নিজের সর্বোচ্চটা দিতে পারে। এই আইকনিক মেগা অফিস কমপ্লেক্সটি হবে আধুনিক, স্মার্ট ও টেকসই কর্মপরিবেশের প্রতীক। এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের শিল্প সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির আত্মবিশ্বাস ফুটিয়ে তুলছি।

তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি বড় ভবন নয়, বরং একটি দায়িত্বশীল ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বমানের স্থাপনা তৈরিতে আমাদের অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আর্কিটেক্ট মুস্তফা খালিদ পলাশ বলেন, ওয়ালটনের মেগা আইকনিক অফিস ভবন নির্মাণে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই ভবনের নকশায় আমরা ‘গ্রিন বিল্ডিং কনসেপ্ট’, জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেব।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪.৩ বিঘা জায়গার ওপর ওয়ালটন আইকনিক টাওয়ারের মোট আয়তন হবে প্রায় ১৮ লাখ বর্গফুট। প্রাথমিক ধাপে ৭ বিঘা জমিতে প্রায় ৯ লাখ বর্গফুটের ১৩ তলা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক ও টেকসই অফিস ভবন নির্মাণ করা হবে। এই ভবনে ৩টি বেসমেন্ট থাকবে, যা সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow