আইজিপির বক্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদর দপ্তর

শতকরা ৯৯ ভাগ পুলিশ সদস্য সৎ ও দায়িত্বশীল বলে বাহিনীর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির যে বক্তব্য দিয়েছেন তার ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে সদর দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইজিপির বক্তব্যটি মূলত বার্ষিক পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেওয়া। গত চার বছর (২০২২-২৫) সময়ে পুলিশ সদর দপ্তরের গৃহীত ও অনুসন্ধানে প্রেরিত মোট অভিযোগের সংখ্যা ছিল সাত হাজার ৮৮২টি। বর্তমানে দেশে মোট পুলিশ সদস্যের সংখ্যা দুই লাখ ১৮ হাজার ৫৫৪ জন। এ হিসাবে গড় বার্ষিক অভিযোগ দাঁড়ায় প্রায় এক হাজার ৯৭০টি, যা মোট সদস্যসংখ্যার ০ দশমিক ৯০ শতাংশ। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানে এক শতাংশ বা তার কম সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা স্বাভাবিক এবং এটি একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর লক্ষণ। এতে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সব অভিযোগই দুর্নীতি-সংশ্লিষ্ট নয়। অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগের ধরন হয় পারিবারিক সমস্যা, আচরণগত দুর্বলতা বা পেশাগত অদক্ষতা। যা সরাসরি অসততার মধ্যে পড়ে না। এসব বাদ দিলে প্রকৃত দুর্নীতির হা

আইজিপির বক্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদর দপ্তর

শতকরা ৯৯ ভাগ পুলিশ সদস্য সৎ ও দায়িত্বশীল বলে বাহিনীর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির যে বক্তব্য দিয়েছেন তার ব্যাখ্যা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে সদর দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইজিপির বক্তব্যটি মূলত বার্ষিক পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেওয়া। গত চার বছর (২০২২-২৫) সময়ে পুলিশ সদর দপ্তরের গৃহীত ও অনুসন্ধানে প্রেরিত মোট অভিযোগের সংখ্যা ছিল সাত হাজার ৮৮২টি। বর্তমানে দেশে মোট পুলিশ সদস্যের সংখ্যা দুই লাখ ১৮ হাজার ৫৫৪ জন। এ হিসাবে গড় বার্ষিক অভিযোগ দাঁড়ায় প্রায় এক হাজার ৯৭০টি, যা মোট সদস্যসংখ্যার ০ দশমিক ৯০ শতাংশ।

পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানে এক শতাংশ বা তার কম সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা স্বাভাবিক এবং এটি একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর লক্ষণ। এতে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সব অভিযোগই দুর্নীতি-সংশ্লিষ্ট নয়। অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগের ধরন হয় পারিবারিক সমস্যা, আচরণগত দুর্বলতা বা পেশাগত অদক্ষতা। যা সরাসরি অসততার মধ্যে পড়ে না। এসব বাদ দিলে প্রকৃত দুর্নীতির হার আরও কমে প্রায় ০ দশমিক ৭০ শতাংশের নিচে নেমে আসে।

পুলিশ সদর দপ্তরের মতে, বিপুলসংখ্যক সদস্যের মধ্যে অল্প কিছু সদস্যের ভুলের কারণে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। তবে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাহিনীর অধিকাংশ সদস্যই নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

আইজিপি তার বক্তব্যে মূলত এই বাস্তবতাই তুলে ধরতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

টিটি/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow