আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায় বাদীকে আবারও জেরা
চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় আবারও আদালতে জেরার মুখোমুখি হয়েছেন মামলার বাদী (আলিফের বাবা) জামাল উদ্দিন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামাল উদ্দিনকে জেরা করেন। শুনানিতে আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি যুক্ত করা হয়। অন্য আসামিরা এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, বুধবার বাদীকে জেরা করা হয়েছে। শুনানিতে আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন না। তার পরিবর্তে অন্য আইনজীবীরা আদালতে হাজির ছিলেন। মামলায় এখন পর্যন্ত ২৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও বারবার সময় নেওয়ায় মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। ৭৬ বছর বয়সি বাদী অসুস্থ শরীর নিয়েও আদালতে উপস্থিত হচ্ছেন। আদালত আগামী ২০ মে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন। ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর আইনজীবী আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জামাল উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় ৩১ জনকে আসামি
চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় আবারও আদালতে জেরার মুখোমুখি হয়েছেন মামলার বাদী (আলিফের বাবা) জামাল উদ্দিন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামাল উদ্দিনকে জেরা করেন। শুনানিতে আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি যুক্ত করা হয়। অন্য আসামিরা এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, বুধবার বাদীকে জেরা করা হয়েছে। শুনানিতে আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন না। তার পরিবর্তে অন্য আইনজীবীরা আদালতে হাজির ছিলেন। মামলায় এখন পর্যন্ত ২৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও বারবার সময় নেওয়ায় মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। ৭৬ বছর বয়সি বাদী অসুস্থ শরীর নিয়েও আদালতে উপস্থিত হচ্ছেন। আদালত আগামী ২০ মে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর আইনজীবী আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জামাল উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় ৩১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে ২০২৫ সালের ১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, মহানগর পুলিশের তৎকালীন সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মাহফুজুর রহমান ৩৮ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে চিন্ময় দাসকে প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ২৫ আগস্ট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।
What's Your Reaction?