আইনমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চলছে। ‘টিএসটি নিউজ’ নামে একটি ফেসবুক পেইজে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বর্তমান পে স্কেলের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার মধ্যে কাজ করতে অনিচ্ছুক সরকারি কর্মচারীরা চাইলে ‘ব্যাগ অ্যান্ড ব্যাগেজ’সহ চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন। সরকারি সেবায় দুর্নীতি ও ঘুষের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে বলেও তিনি জোর দেন।’ ‘টিএসটি নিউজ’ আইনমন্ত্রীর ব্রিফিংয়ের একটি ছবিও তাদের এই পোস্টের সাথে আপলোড করে। এ বিষয়ে ফ্যাক্ট চেক করে শনাক্ত হয়, ‘টিএসটি নিউজ’ পেইজে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য হিসেবে প্রচার করা এসব কথা তিনি কোথাও বলেননি। আইনমন্ত্রীর যে ছবিটি টিএসটি নিউজ তাদের পেইজে আপলোড করেছে, সেটি ২৮ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে তোলা। সেখান গণমাধ্যমে বলা আইনমন্ত্রীর পুরো বক্তব্যের ভিডিও পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, আইনমন্ত্রী পে-স্কেল নিয়ে কোনো বক্তব্যই দেননি। অনুসন্ধানে দেখা যায়, বানোয়াট বক্তব্যের ফটোকার্ড প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হয়েছে। ২
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চলছে।
‘টিএসটি নিউজ’ নামে একটি ফেসবুক পেইজে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বর্তমান পে স্কেলের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার মধ্যে কাজ করতে অনিচ্ছুক সরকারি কর্মচারীরা চাইলে ‘ব্যাগ অ্যান্ড ব্যাগেজ’সহ চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন। সরকারি সেবায় দুর্নীতি ও ঘুষের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে বলেও তিনি জোর দেন।’ ‘টিএসটি নিউজ’ আইনমন্ত্রীর ব্রিফিংয়ের একটি ছবিও তাদের এই পোস্টের সাথে আপলোড করে।
এ বিষয়ে ফ্যাক্ট চেক করে শনাক্ত হয়, ‘টিএসটি নিউজ’ পেইজে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য হিসেবে প্রচার করা এসব কথা তিনি কোথাও বলেননি। আইনমন্ত্রীর যে ছবিটি টিএসটি নিউজ তাদের পেইজে আপলোড করেছে, সেটি ২৮ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে তোলা। সেখান গণমাধ্যমে বলা আইনমন্ত্রীর পুরো বক্তব্যের ভিডিও পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, আইনমন্ত্রী পে-স্কেল নিয়ে কোনো বক্তব্যই দেননি।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, বানোয়াট বক্তব্যের ফটোকার্ড প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি আইনমন্ত্রী ঝিনাইদহে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের রেকর্ডেড ভিডিও মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা দিয়েছেন। সে বক্তব্যের আলোকে বিভিন্ন গণমাধ্যম আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের নিউজ প্রকাশ ও প্রচার হয়েছে। সেদিন আইনমন্ত্রী ঝিনাইদহে সাংবাদিকদের বলেন, সরকার আইনগতভাবে ফ্যাসিস্টদের বিচারে বদ্ধপরিকর। রক্তের সিঁড়ি বেয়ে ফ্যাসিস্টদের পতন ঘটানো হয়েছে। বাংলাদেশ এখন গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার মহাসড়কে।
তিনি বলেন, ‘আমি কর্মকর্তাদের বলেছি, সরকারি বরাদ্দ জনগণের জন্য হয়। সে বরাদ্দের প্রত্যেকটা পাই-পয়সা খরচ হচ্ছে যথাযথভাবে সঠিক জায়গায়, সেটি নিশ্চিত করতে বলেছি। আমি বলেছি, যদি কেউ দুর্নীতির আশ্রয় নেয়, শুধু চাকরি যাওয়া বিভাগীয় ব্যবস্থাই নয়, মামলাও হবে। মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স।’ তিনি আরও বলেন, ‘সন্ত্রাস, সামাজিক হানাহানি, মারামারি সবকিছুর জন্য নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ গুটিকয়েক অসাধু লোকের জন্য সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে না। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সারাদেশের মন্ত্রী আমি। পাশাপাশি নিজ জেলা অবহেলিত ঝিনাইদহকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জায়গায় নিয়ে আসার দায়িত্বও আমার আছে। আমরা মনে করছি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন যেটা আছে, নট বেড।’
জামিন দেওয়া নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটি আদালতের বিষয়। কোনো অপরাধীই পার পাবেন না।’
‘টিএসটি নিউজ’ নামে ফেসবুক পেইজে প্রচারিত আইনমন্ত্রীর কথিত বক্তব্য আর কোনো মূলধারার গণমাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফ্যাক্ট চেক করে শনাক্ত হয়, ‘বর্তমান পে স্কেলের বেতন ভালো না লাগলে চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন’- এমন বক্তব্য কয়েকটি ফেসবুক পেইজে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। তাছাড়া ‘টিএসটি নিউজ’ নামে সরকার বা মিডিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধিত কোন নিউজ পোর্টাল খুঁজে পাওয়া যায়নি। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এ বিষয়ে বলেছেন, ‘যারা এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে, তারা দুর্নীতির পক্ষে অবস্থান নিতে চান।’
What's Your Reaction?