আইপিএল জিতলেই কোটি টাকা, রানার্স-আপদের পকেটে কত?
বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে ধনী টি-টোয়েন্টি লিগ আইপিএল। চলতি মৌসুমে আর্থিক দিক থেকে রয়েছে বড়সড় চমক। বিশেষ করে ফাইনালের পুরস্কারমূল্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ রোববার সন্ধ্যায় শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং গুজরাট টাইটান্স। প্রশ্ন হল, চ্যাম্পিয়ন দল কত পাবে? রানার্স দলের পকেটেই বা ঢুকবে কত?
এই মৌসুমে শুরুর আগে প্রতিটি দলের জন্য নিলামের বাজেট ছিল ১২৫ কোটি টাকা, যা বাড়তে বাড়তে চলতি বছর পৌঁছেছে ১৫১ কোটি টাকায়। শুধু দল নয়, পুরো টুর্নামেন্টের পুরস্কার মূল্যও বেড়েছে। শীর্ষ চার দলের জন্য মোট ৪৬.৫ কোটি টাকা পুরস্কার হিসাবে রাখা হয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২০ কোটি টাকা। রানার্স-আপ পাবে ১৩ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে থাকা রাজস্থান রয়্যালসের পকেটে ঢুকবে ৭ কোটি। চতুর্থ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ পাবে ৬.৫ কোটি। তবে এই পুরস্কারের পুরো টাকা দল নিজেদের কাছে রাখতে পারে না। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, অন্তত ৫০ শতাংশ অর্থ খেলোয়াড়দের মধ্যে ভাগ করে দিতে হয়। ফলে ক্রিকেটাররা নিজেদের চুক্তির বাইরেও অতিরিক্ত আয় করেন।
একটি দল যদি পুরো মৌসুমে ফ
বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে ধনী টি-টোয়েন্টি লিগ আইপিএল। চলতি মৌসুমে আর্থিক দিক থেকে রয়েছে বড়সড় চমক। বিশেষ করে ফাইনালের পুরস্কারমূল্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ রোববার সন্ধ্যায় শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং গুজরাট টাইটান্স। প্রশ্ন হল, চ্যাম্পিয়ন দল কত পাবে? রানার্স দলের পকেটেই বা ঢুকবে কত?
এই মৌসুমে শুরুর আগে প্রতিটি দলের জন্য নিলামের বাজেট ছিল ১২৫ কোটি টাকা, যা বাড়তে বাড়তে চলতি বছর পৌঁছেছে ১৫১ কোটি টাকায়। শুধু দল নয়, পুরো টুর্নামেন্টের পুরস্কার মূল্যও বেড়েছে। শীর্ষ চার দলের জন্য মোট ৪৬.৫ কোটি টাকা পুরস্কার হিসাবে রাখা হয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২০ কোটি টাকা। রানার্স-আপ পাবে ১৩ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে থাকা রাজস্থান রয়্যালসের পকেটে ঢুকবে ৭ কোটি। চতুর্থ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ পাবে ৬.৫ কোটি। তবে এই পুরস্কারের পুরো টাকা দল নিজেদের কাছে রাখতে পারে না। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, অন্তত ৫০ শতাংশ অর্থ খেলোয়াড়দের মধ্যে ভাগ করে দিতে হয়। ফলে ক্রিকেটাররা নিজেদের চুক্তির বাইরেও অতিরিক্ত আয় করেন।
একটি দল যদি পুরো মৌসুমে ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছে মোট ১৭টি ম্যাচ খেলে, তাহলে একজন খেলোয়াড়ের অতিরিক্ত আয় অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। ম্যাচ ফি, জয়ের বোনাস ও অন্যান্য পারফরম্যান্স ইনসেন্টিভ মিলিয়ে এই বাড়তি আয় প্রায় ১.২৭ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এমনকি তুলনামূলকভাবে কম দামের ক্রিকেটাররাও পুরো মৌসুম শেষে ভালো পারফরম্যান্স ও দলের সাফল্যের কারণে প্রায় ১.৩৫ কোটি টাকা বা তারও বেশি রোজগার করতে পারেন। এটাই আইপিএলের ক্যারিশমা।
এছাড়া ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের জন্যও আলাদা আলাদা পুরস্কার দেওয়া হয়, যা খেলোয়াড়দের আয় আরও বাড়িয়ে দেয়। অরেঞ্জ ক্যাপ, পার্পল ক্যাপ এবং মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার প্রতিটি পুরস্কারের জন্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হয়। এমার্জিং প্লেয়ার পান প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে অন্যান্য বিশেষ পুরস্কার মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি টাকার কাছাকাছি অতিরিক্ত পুরস্কারও আলাদা করে দেওয়া হয়। এই কারণেই যেকোনও তরুণ ক্রিকেটারের কাছে আইপিএল খেলা স্বপ্নের মতো।