আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১৭৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
কক্সবাজারের উখিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে মামলা করেছে থানা পুলিশ। মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১১৪ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) উখিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলার বাদী উখিয়া থানার এসআই পলাশ বড়ুয়া। মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উখিয়া থানার কুতুপালং বাজার এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে তিনি গোপন সংবাদে জানতে পারেন- পালংখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নলবুনিয়া এলাকায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদের বাড়িতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছেন। বৈঠকে সরকার ও রাষ্ট্রের জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং টায়ার জ্বালিয়ে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এর পরপরই উখিয়া থানার একাধিক টহল দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বৈঠকে উপস্থিত ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৮
কক্সবাজারের উখিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে মামলা করেছে থানা পুলিশ। মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১১৪ জনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) উখিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলার বাদী উখিয়া থানার এসআই পলাশ বড়ুয়া।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে উখিয়া থানার কুতুপালং বাজার এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে তিনি গোপন সংবাদে জানতে পারেন- পালংখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নলবুনিয়া এলাকায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদের বাড়িতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছেন। বৈঠকে সরকার ও রাষ্ট্রের জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা, মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে এবং টায়ার জ্বালিয়ে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করা হচ্ছিল।
এর পরপরই উখিয়া থানার একাধিক টহল দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বৈঠকে উপস্থিত ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মিলন বড়ুয়া (৪২) এবং আবু নাসের মোহাম্মদ ইমরান (২৪) নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে অন্যরা পালিয়ে যান।
এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের স্লোগান ও কর্মকাণ্ড থেকে পুলিশ নিশ্চিত হয়- এরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ও সমর্থক। তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে মিছিল এবং নাশকতার পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ষড়যন্ত্র করছিলেন।
মামলায় উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইমাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার কামাল পাশা, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক তারেক হোসেন মানিকসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ১১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা ৫০-৬০ জন রয়েছেন বলে দাবি করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, ঘটনার পর দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
এদিকে, কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালীতে নাশকতার পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। শনিবার বিকেলে পালংখালী স্টেশন এলাকায় অনুষ্ঠিত মিছিলে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা এসময় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং সভায় অংশগ্রহণকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
সায়ীদ আলমগীর/এসজেডএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?
