আকাশ ভেঙে বৃষ্টি-বজ্রপাত, ব্যাটে বিদ্যুতের ঝলকানি মুশফিক-হৃদয়ের
এখনো তিন রাউন্ড বাকি। তারপরও আগে থেকেই মোহামেডানের শিরোপা পুনরুদ্ধার নিয়েই যত কথা এখন সবার মুখে মুখে। বলার অপেক্ষা রাখে না, ঢাকাই ক্রীড়াঙ্গনের ‘সুপার পাওয়ার’ মোহামেডান। ফুটবল আর হকির মতো এক সময় ক্রিকেটেও শিরোপা বিজয় ছিল সাদা-কালোদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এক বছর না পারলে পরের বছর ঠিকই লিগ ট্রফি ঘরে তুলতো মোহামেডান। কিন্তু ক্রিকেটে ও ফুটবলে এখন সেই চেনা সাফল্যটি কেমন যেন অচেনা হয়ে গেছে সাদা-কালো শিবিরের। ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটেও সাফল্যটা রীতিমত ‘সোনার হরিণ’ হয়ে গেছে। ইতিহাস সাক্ষী, ২০০৯-২০১০ মৌসুমে সর্বশেষ ক্রিকেট লিগ ট্রফি জিতেছিল মোহামেডান। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের শিরোপা ওঠেনি মতিঝিল ক্লাব টেন্টে। শেষবার খালেদ মাসুদ পাইলটের নেতৃত্বে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মোহামেডান। এবার দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর তাওহিদ হৃদয়ের নেতৃত্বে শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে চলছে মোহামেডান। মোহামেডান শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতলে অতি অবশ্যই হৃদয়ের নামটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সবাই জানবে, ২০০৯-২০১০-এ শেষবার খালেদ মাসুদ পাইলটের পর আবার তাওহিদ হৃদয়ের অধিনায়
এখনো তিন রাউন্ড বাকি। তারপরও আগে থেকেই মোহামেডানের শিরোপা পুনরুদ্ধার নিয়েই যত কথা এখন সবার মুখে মুখে। বলার অপেক্ষা রাখে না, ঢাকাই ক্রীড়াঙ্গনের ‘সুপার পাওয়ার’ মোহামেডান। ফুটবল আর হকির মতো এক সময় ক্রিকেটেও শিরোপা বিজয় ছিল সাদা-কালোদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এক বছর না পারলে পরের বছর ঠিকই লিগ ট্রফি ঘরে তুলতো মোহামেডান। কিন্তু ক্রিকেটে ও ফুটবলে এখন সেই চেনা সাফল্যটি কেমন যেন অচেনা হয়ে গেছে সাদা-কালো শিবিরের। ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটেও সাফল্যটা রীতিমত ‘সোনার হরিণ’ হয়ে গেছে।
ইতিহাস সাক্ষী, ২০০৯-২০১০ মৌসুমে সর্বশেষ ক্রিকেট লিগ ট্রফি জিতেছিল মোহামেডান। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের শিরোপা ওঠেনি মতিঝিল ক্লাব টেন্টে। শেষবার খালেদ মাসুদ পাইলটের নেতৃত্বে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মোহামেডান।
এবার দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর তাওহিদ হৃদয়ের নেতৃত্বে শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে চলছে মোহামেডান। মোহামেডান শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতলে অতি অবশ্যই হৃদয়ের নামটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সবাই জানবে, ২০০৯-২০১০-এ শেষবার খালেদ মাসুদ পাইলটের পর আবার তাওহিদ হৃদয়ের অধিনায়কত্বে দীর্ঘ ১৬ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ ট্রফি ঘরে তুলল ঢাকা মোহামেডান।
সেই মিশনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হৃদয়। আগের ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে ম্যাচ জেতানো সেঞ্চুরি করার পর আবার শতরানের অনন্য কৃতিত্ব দেখিয়েছেন হৃদয়। ক্যাপ্টেন একা নন। আজ গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের সঙ্গে পিকেএসপি মাঠে আরও শতরান করেছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম।
এবারের লিগে দারুণ ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখানো মোহামেডান অধিনায়ক হৃদয় পরপর দুই খেলায় শতরান করে ৫০০ রানও পূর্ণ করে ফেললেন এবারের লিগে।
লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সঙ্গে সেঞ্চুরির আগেও ৩ ফিফটি করেছিলেন। যার মধ্যে আশির ঘরে স্কোর ছিল দুটি। শুক্রবার পিকেএসপিতে প্রবল বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ম্যাচে হৃদয় আর মুশফিকের জোড়া শতরানই মোহামেডানকে ৪২ ওভারে ৩৩৩ (৪ উইকেটে) বিশাল স্কোরের ভিত গড়ে দেয়। তারা তৃতীয় উইকেটে ১৭৩ রানও জুড়ে দিয়েছেন।
দুজনই হাত ঝড়ের গতিতে উইকেটের সামনে ও দুদিকে ইচ্ছেমতো শট খেলেছেন। হৃদয়ের ১০১ রানের হার না মানা ইনিংসটি আসে ৬৬ বল থেকে। যার মধ্যে ৫৬ রান আসে শুধু ছক্কা (৪টি) ও বাউন্ডারি (৬টি) থেকে। অন্যদিকে অভিজ্ঞ মুশফিকের শতকটি ছিল আরও ঝড়ের গতিতে (৫৫ বলে)। যার মধ্যে মুশফিক হাফ ডজন ছক্কা ও দুই হালি বাউন্ডারি হাঁকান।
তাওহিদ হৃদয় শেষ ৪ ম্যাচে করেছেন যথাক্রমে ৭১*, ৮৬, ১০১ ও ১০১*। এবারের লিগে হৃদয়ের ব্যাট থেকে আসা ইনিংসগুলো হলো-৩৪, ৮২, ৩৫, ব্যাট করেননি, ১৮, ৭১*, ৮৬, ১০১, ১০১। মোট রান ৫২৮। কি দুর্দান্ত ফর্মেই না আছেন!
তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের জন্য সম্ভবত মোহামেডানের পক্ষে শেষ দুই ম্যাচে মাঠে নামা হবে না হৃদয়ের। দেখা যাক, ফর্মের চূড়ায় থাকা অধিনায়ক হৃদয়কে ছাড়া ১০ নম্বর ম্যাচে ঢাকা লেপার্ডস ও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীর বিপক্ষে শেষ ম্যাচে কী করে মোহামেডান!
এআরবি/এমএমআর
What's Your Reaction?