আকুল হোসেনকে নাশকতার আরেকটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট

যশোরের শার্শা থানা পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকুল হোসেনকে আরেকটি নাশকতার মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট জিআরও ( শার্শা থানা) পরেশ চন্দ্র। আকুল হোসেন যশোরের বেনাপোলের ঘিবা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ছাত্রলীগ নেতা এবং দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। স্থানীয়ভাবে তিনি বেনাপোল পৌরসভার সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবেও পরিচিত। সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের শাসনামলেই আকুল হোসেন একবার অস্ত্রসহ আটক হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলাও। সর্বশেষ গত বছরের ১২ ডিসেম্বর যশোর শহরের রায়পাড়া এলাকা থেকে তাকে ডিবি পুলিশ আটক করে। পরে নাশকতার একটি মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি যশোর কারাগার-এ আটক আছেন। এরই মধ্যে শার্শা থানায় দায়ের হওয়া নাশকতার আরেকটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আকুল হোসেনকে শোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করেন। যার মামলা নাম্বার ১৯ (তারিখ ১৫/১২/২৪)। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচার

আকুল হোসেনকে নাশকতার আরেকটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট

যশোরের শার্শা থানা পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকুল হোসেনকে আরেকটি নাশকতার মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল এ আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট জিআরও ( শার্শা থানা) পরেশ চন্দ্র। আকুল হোসেন যশোরের বেনাপোলের ঘিবা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ছাত্রলীগ নেতা এবং দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। স্থানীয়ভাবে তিনি বেনাপোল পৌরসভার সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবেও পরিচিত।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের শাসনামলেই আকুল হোসেন একবার অস্ত্রসহ আটক হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলাও। সর্বশেষ গত বছরের ১২ ডিসেম্বর যশোর শহরের রায়পাড়া এলাকা থেকে তাকে ডিবি পুলিশ আটক করে। পরে নাশকতার একটি মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি যশোর কারাগার-এ আটক আছেন।

এরই মধ্যে শার্শা থানায় দায়ের হওয়া নাশকতার আরেকটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আকুল হোসেনকে শোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করেন। যার মামলা নাম্বার ১৯ (তারিখ ১৫/১২/২৪)। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক শ্যোন আরেস্টের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow