‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’ গানে শিক্ষিকার রিলস, তদন্ত কমিটি

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত রিলস ভিডিওকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ধারণ করা ওই ভিডিও সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে কি না, তা যাচাই করতে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। জানা যায়, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রাণী পাল। তিনি ২০২৬ সালে সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। গত ২৩ জুলাই তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ‘Annabel Li Li’ থেকে কয়েক সেকেন্ডের একটি রিলস ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শাড়ি পরে ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে/ দূর অজানায় চায় হারাতে...’ গানের সঙ্গে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করছেন তিনি। ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল মোল্লা জানান, ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে এবং এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে

‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’ গানে শিক্ষিকার রিলস, তদন্ত কমিটি

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত রিলস ভিডিওকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ধারণ করা ওই ভিডিও সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে কি না, তা যাচাই করতে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন।

জানা যায়, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রাণী পাল। তিনি ২০২৬ সালে সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। গত ২৩ জুলাই তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ‘Annabel Li Li’ থেকে কয়েক সেকেন্ডের একটি রিলস ভিডিও প্রকাশ করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শাড়ি পরে ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে/ দূর অজানায় চায় হারাতে...’ গানের সঙ্গে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করছেন তিনি। ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল মোল্লা জানান, ঘটনাটি তাদের নজরে এসেছে এবং এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে কোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে কি না। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এএএইচ/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow